বজ্রপাতে বাড়ির ছাদেই প্রাণ গেলো শান্তর
বিস্তারিত ঘটনার বিবরণ
বজ রপ ত ব ড় র ছ – বজ্রপাতে বাড়ির ছাদেই প্রাণ গেলো শান্তর নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনাটি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নান্দবারে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ঘটে। তখন ঝড়ো হাওয়ায় তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে শান্ত (২৮) ও তাঁর পরিচিতি ছিল নাহিদ নামের আরও এক যুবক বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে পাশের গাছটি আগুন ধরে যাওয়ার সাথে সাথে দুজনের দুর্দান্ত আহত হওয়া ঘটে। যদিও নাহিদ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু শান্তের প্রাণ হারিয়ে যায়। ঘটনার স্থান হল ওই গ্রামের একটি স্থানীয় বাড়ি যেখানে দুজন যুবক সামনে সামনে খাটো ঘুমোচ্ছিলেন। এই দুর্ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় মানুষ বিপদ থেকে মুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়।
বিস্তারিত পরিস্থিতি এবং বৃদ্ধি পাওয়া পরিস্থিতি
বজ্রপাতে বাড়ির ছাদেই প্রাণ গেলো শান্তর ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বানী ইসরাইল বলেন, শান্তের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তাঁর মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রয়েছে। আহত নাহিদ স্থানীয় আবেদন বা পরিচিত ব্যক্তির সাহায্যে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পরে বাড়ির ছাদে থাকার দরুন জাহাঙ্গীরের ছেলে শান্ত ও নাহিদের ঘটনাকে বজ্রপাতে বাড়ির ছাদেই প্রাণ গেলো শান্তর হিসেবে অনুমান করা হচ্ছে। কিছু মানুষ অনুমান করে যে গাছটি আগুন ধরার সময় ঘটনার মূল কারণ হতে পারে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ফারহানা ওয়াহিদ তানি জানান, শান্তের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় মানুষ সাধারণত বাড়ির ছাদে দাঁড়ায় যখন ঝড়ের প্রবাহ তীব্র হয়ে যায়। তবে বজ্রপাতে বাড়ির ছাদেই প্রাণ গেলো শান্তর ক্ষেত্রে পাশের গাছটি আগুন ধরার কারণে ঘটনা ঘটেছে। এই বিপর্যয়ের পরে হাসপাতালে শান্তের মৃত্যু ঘোষণা করা হয়।
বজ্রপাতে বাড়ির ছাদেই প্রাণ গেলো শান্তর ঘটনার পর স্থানীয় সম্প্রদায় আন্দোলন শুরু করে। এই ঘটনার মাধ্যমে এলাকার মানুষ বজ্রপাতের প্রতি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃতি করে