প্লাস্টিকের দূষণ আমাদের অব্যবস্থাপনার কারণে হয়ে দেখা যায়
প ল স ট ক ন জ – বাংলাদেশে প্লাস্টিক বর্জ্য কম নয়, কিন্তু এটি দেশের পরিবেশে দূষণ করে না বলে মনে হয়। কোম্পানি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ দেখায় প্লাস্টিক সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করলে দেশের অর্থনীতিকে নতুন মূল্য দিতে পারে। গত বছর তারা দেখায় প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও রিসাইকেল করে দেশের প্রায় ৪শ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ করেছে।
প্রথম সার্কুলার ইকোনমি গড়ে তোলা হয়েছে
প্রাণ আরএফএল গ্রুপ দেশে প্রথম সম্পূর্ণ সার্কুলার ইকোনমি বা চক্রাকার প্লাস্টিক অর্থনীতি গড়ে তুলেছে। কোম্পানির উদ্যোগে বছরে প্রায় ৬৯ হাজার মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পরিমাণ কাঁচামাল যদি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, তবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারে প্রায় ৪শ কোটি টাকা।
পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহার প্রায় ১০০ কেজি হয়। ভারতে এটি ১৫ কেজি এবং বাংলাদেশে আমাদের মাথাপিছু ব্যবহার মাত্র ৮-১০ কেজি। ব্যবহারের পর আমরা প্লাস্টিক নির্দিষ্ট বিনে রাখছি না, বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে দূষণ বেশি হচ্ছে।
আমাদের বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করার ব্যবস্থা অপরিচিত হয়েছে এবং বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ কর্মী আমাদের কালেকশন সেন্টারে কাজ করছেন। বর্তমানে সেন্টারগুলো গ্রামীণ ও রুট লেভেল পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার লক্ষ্য রয়েছে।
প্লাস্টিক রিসাইক্লিংয়ের প্রভাব
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান যে প্লাস্টিকের বৈচিত্র্য প্রভাব দেয় দূষণ কমাতে। তিনি বলেন, বার্ষিক ৬৯ হাজার মেট্রিক টন প্লাস্টিক রিসাইকেল করেছে কোম্পানি। এই পরিমাণ কাঁচামাল আমদানি করতে হতো যদি সার্কুলার ইকোনমি প্রক্রিয়া না অনুসরণ করা হতো।
এক কেজি ভার্জিন প্লাস্টিক তৈরির জন্য ১ দশমিক ০৮ কেজি কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হয়। সেই হিসাবে প্লাস্টিক রিসাইক্লিংয়ের কারণে বছরে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন কেজি কার্বন কমেছে। আমরা টেকনিশিয়ান ও অপারেটর ছাড়া সর্টিং ও অন্য কাজে নারীদের প্রাধান্য দিচ্ছি।
কোম্পানির প্ল্যান্টে কিছু প্লাস্টিক প্রায় ২০-৫০ বার পর্যন্ত রিসাইকেল হয়েছে। রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় আমাদের প্রায় ১০০টিরও বেশি বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদন করছে। ডাস্টবিন, ফ্লাওয়ার পট, গার্ডেনিং আইটেম, পোল্ট্রি প্রোডাক্ট এবং বাস্কেট এগ