বামনী নদীর ক্লোজার নির্মাণ চালু হয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও
প রত ক ল আবহ ওয় য়ও – নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বামনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণ কাজ গত কয়েক মাস ধরে দিন-রাত সময় অবিচ্ছিন্নভাবে চালু রয়েছে। এই প্রকল্প দেশের উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষা এবং নদী ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিওডিবি) অধীনে এই কাজ প্রোপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (পিডিএল) পরিচালন করছে।
রেফাত জামিলের বক্তব্য
বিওডিবির নোয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিল জাগো নিউজকে বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং উদ্বোধনের কারণে কাজ কিছুটা অতিক্রম করেছে। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় ও মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে চলছে তারা সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠছেন।
“আমরা এই বছর ও গত বছর নোয়াখালী অনেক ভুগেছি। এজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি প্রকল্পটি সম্পন্ন করে উঠতে। আমাদের লক্ষ্য মঙ্গলবার ফাইনাল ক্লোজ করা। সফল হওয়া পর পরবর্তী স্ট্যান্ডিং ওয়ার্ক এবং উচ্চতা বৃদ্ধির কাজ চলবে।”
গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশ
প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে আরএফএল জিও টেক্সটাইল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি জিওটিউব, জিওব্যাগ এবং জিওটেক্সটাইল শিটের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করছে যাতে নির্মাণ গতিশীল থাকে। পিডিএল, বিওডিবি এবং একটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
অনুমান করা হয়েছে সময়সীমা মেটে যাবে
পিডিএলের চিফ অপারেটিং অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, বৈরী আবহাওয়া, ঈদ ছুটি ও অন্যান্য প্রতিকূলতা থাকলেও কাজ বন্ধ রাখা হয়নি। তিনি বলেন, আজ সোমবার কাজ চালু রয়েছে এবং কাল মঙ্গলবার চলবে। স্টাফরা শিফট করে কাজ করছেন। তিনি যোগ করেন, জোয়ার-ভাটার কারণে কাজটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়েছে। দিনে খুব সামান্য সময় কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। দিনের সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কাজ চলছে বলে তিনি জানান। রাতের শিফটে রাত ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত কাজ চলবে।
প্রকল্পের লক্ষ্য
বামনী নদীতে প্রকল্প সম্পন্ন হলে নদীভাঙন ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। জোয়ার-ভাটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। এই প্রকল্পের ফলে মৎস্য ও কৃষি কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয় জনপদ ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।
প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে
জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পানিসম্পদ মন্ত্রী শাহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। নদীতে গুরুত