পদোন্নতি না পেয়ে চাকরি ছাড়ার আবেদন সিআইডি প্রধানের
পদ ন নত ন প য় চ – বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তর পুলিশের পাঁচজন ডিআইজিকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি দেয়। এর মধ্যে সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডিআইজি আলি আকবর খানের নাম ছাড়া পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। তবে পুলিশ সদর দপ্তর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে না।
আলি আকবর খান স্বাক্ষরিত আবেদনপত্রে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করার প্রস্তাব দেন। তার দাবি, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ফলে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর চাকরির সুযোগ পাওয়ায় তিনি আবেদন করেন।
পদোন্নতি প্রস্তাব ও আবেদনের তথ্য
তাঁর আবেদনে বলা হয়, তিনি ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর চাকরিতে যোগদান করেন। এর পর থেকে সততা, দক্ষতা ও সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। গত দুই বছরে তিনি চাকরি ছাড়েন এবং ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বরে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পুনরায় চাকরিতে ফিরে আসেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদোন্নতির প্রজ্ঞাপনে তার নাম না থাকায় কোনো অযোগ্যতার কারণে তিনি আবারও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এজন্য সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী পিআরএল মঞ্জুরের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে অনুরোধ জানান।
গত ১ জুন আলি আকবর খানের স্বাক্ষরিত আবেদন সিআইডি প্রশাসনিক পত্রে উল্লেখ করা হয়। আবেদনে তিনি আগামী মাসের ২ জুলাই থেকে অবসর গ্রহণ ও এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেন।
ডিআইজির আবেদন ও সরকারি কার্যক্রম
তাঁর আবেদনে নিহত ও আহত ছাত্র-জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে সার্বিক পদোন্নতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু সরকারি চাকরি আইনের মূল প্রাপ্তি না হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় অবসর নেবার সিদ্ধান্ত নেন।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ এ এম হুমায়ুন কবীরের স্বাক্ষরিত পত্রে আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়। এতে স্পষ্ট করা হয়, তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ এবং ২ জুলাই ২০২৬ থেকে এক বছরের �