থানার ভেতর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত, ওসির অস্বীকার
থ ন র ভ তর স ব – থানার ভেতর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে এমন ঘটনা বুধবার (৩ জুন) রাতে রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় ঘটে। ওসি আজাদ রহমান এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্য তদন্তের জন্য বিশেষ করে দলের নেতাকে অপ্রতিবাদে আঘাত করে। ঘটনার পর থানায় তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সামনে আসার পর নাগাদ একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেখা গেল।
ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঈদের আগে কোতয়ালি থানার সিও বাজার এলাকায় এক প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের পরিবারের দাবি থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছিল। পুলিশের কাছে দাবি জানানোর পর যুগলকে উদ্ধারের জন্য তাদের কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। এ সময় পরিবারের অনুরোধে দলের কয়েকজন নেতা থানায় উপস্থিত হন। লাভরু নামে এক নেতার ডাকে রাকিবুল ইসলাম রাকিব থানায় উপস্থিত হন। এখানে তিনি দেখেন যে পুলিশ সদস্য তাদের মারধর করছে। আপত্তি জানালে ওসি আজাদ রহমান এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে চড়াও করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত ও আহত হন। থানার ভেতর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনাটি খুব আঘাতপ্রাপ্ত হতে যাচ্ছে এবং এটি একটি জনপ্রিয় মামলা হিসেবে চলছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি
“এখানে ওসি, এসআই আমাকে রাইফেল দিয়ে মারলো। বারবার তাদের অনুরোধ করেছি যে আমি স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব এবং বিএনপির একজন কর্মী। আমার নামে প্রায় ১৩টা মামলা রয়েছে। আমি এর মাঝে একজন ১৭ বছর বয়সী নেতা। তারপরও তারা আমাকে মেরে চোখটা কী রকম করলো, মাথায় দুই জায়গায় মারছে। বন্দুক দিয়ে মারছে। আমার ফোন দুইটা কেড়ে নিছে। পুলিশের চরিত্র এখনো ফ্যাসিবাদী রয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
রাকিবকে হাসপাতালে পাঠানোর পর প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু থানায় উপস্থিত হন। তিনি ঘটনার সত্যিকারু তদন্তে বিশেষ করে থানার ভেতর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মারধর ঘটনার পরিচয় দেন। এ ঘটনার প্রতি সামসুজ্জামান সামু বলেন যে এটি পুলিশ বিভাগের নীতি বদলের দাবি হিসেবে আগ্রাহ্য দেয়। বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “রাকিবকে পুলিশ ধরে মারলো, আমারও মাথায় ঘুষি তুলছিল। শুধু বাচ্চা দুইটাকে ধরে মারতে ওসি এবং পুলিশ সদস্যদের রক্তাক্ত ক