তিন মাসের ব্যবধানে পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন শাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী
দুই স্থানে ঘটেছে দুর্দান্ত ঘটনা
ত ন ম স র ব যবধ – তিন মাসের ব্যবধানে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া শাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর ঘটনা বিশেষ দুঃখজনক হয়ে উঠেছে। প্রথম ঘটনা ঘটেছিল চলতি বছরের জানুয়ারি ৩০ তারিখে সিলেটের লালাখাল পর্যটন এলাকায় গোসলে নেমে। দ্বিতীয় দুর্ঘটনা ছিল মে ১৫ তারিখে বিছানাকান্দি পর্যটন এলাকায়। দুই ঘটনার মধ্যে তিন মাসের ব্যবধান ছিল, যার প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের পরিবারের মাঝে।
প্রথম শিক্ষার্থী মুসআব আমীন (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছিলেন। তিনি বিছানাকান্দি পর্যটন এলাকায় একই ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী বাজার এলাকায়। তিনি নিজের শিক্ষা সংক্রমণে অর্থ নেওয়ার প্রচেষ্টার প্রায় পাঁচ ঘণ্টার পর তার মৃতদেহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে অবস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা নৌকা ব্যবহার করে উদ্ধার চেষ্টা করেন, কিন্তু সে কাজ সফল হয়নি।
গত শুক্রবার মে ১৫ তারিখে শান্ত বণিক (২২) পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার ঘটনায় তার পরিবার দুঃখে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। তিনি পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়ন করতেন। ঘটনার পর থেকে তার পরিবার অর্থ প্রাপ্তির প্রচেষ্টা চালিয়েছে, কিন্তু তার মৃতদেহ উদ্ধারে সময় লাগে। প্রাণ হারানো ঘটনার কারণ খুঁজতে পুলিশ এবং মানব সম্পদ বিভাগ তদন্না চালাচ্ছেন।
ত ন ম স র ব ব্যবধানে দুই শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, যার ফলে তাদের পরিবারের মাঝে চিন্তা জাগে। বিছানাকান্দি পর্যটন এলাকার ঘটনার পর শাবিপ্রবি অধ্যয়নকারীদের মাঝে ভয় বৃদ্ধি পায়। মরদেহটি উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা চাই। প্রতিটি ঘটনার পর তদন্না চালানো হচ্ছে যাতে কারণ খুঁজে বার করা সম্ভব হয়।
বিছানাকান্দি পর্যটন এলাকার মরদেহ উদ্ধারে প্রথম বার সার্ভিস দল স্থানে আসে। সেখানে গোসলের সময় পানিতে ডুবে গেলে শিক্ষার্থী মৃত্যু ঘটে। ঘটনার পর পরিবার তাদের শরীর এবং কারণ খুঁজছে। অনুমান করা হচ্ছে যে তাদের গোসলের সময় পানির গভীরতা বা পানির প্রবাহ বাড়ে এমন সময়ে ঘটনা ঘটে।
ত ন ম স র ব ব্যবধানে দুই শিক্ষার্থী তিন মাস পৃথক সময়ে পানিতে ডুবে মারা যান। বিছানাকান্দি পর্যটন এলাকায় ঘটনার পর পরিবার এবং স্থানীয় সম্প্রদায় খুব দুঃখে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের মৃতদেহ উদ্ধারে নৌকা ব্যবহার করে পরিচালিত অপারেশন চালিয়েছে নানা বিশেষজ্ঞ এবং স্থানীয় বাসিন