জামায়াতে ইসলামী নেতা সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ঘটনা নিয়ে চিন্তা জাগালো
জ ম য় ত ন ত র – জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বুধবার (১৩ মে) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ পরিদর্শনে উপস্থিত হয়ে জানিয়েছেন যে যদি ঢাকা বারের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে সেটি সম্পর্কে আইনজীবীদের সম্মতি নেওয়া হবে না। তিনি মন্তব্য করেন যে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় দুটি প্যানেল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিয়ে নির্বাচন করা উচিত। কিন্তু এ বার নীল প্যানেলের সদস্যদের বেশি সংখ্যক বাছাই করা হয়েছে।
প্রক্রিয়া নিয়ে আইনজীবীদের সন্দেহ
অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন যে নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়ায় বৈষম্য ও অনিয়ম ঘটেছে। তিনি মন্তব্য করেন যে এটি পেশাজীবী সংগঠনে ক্ষমতাসীনদের দলীয় প্রভাবের একটি বিশেষ উদাহরণ। আইনজীবীদের নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সবগুলো অনিয়মের জন্য বার কাউন্সিল ও প্রধান বিচারপতিকে দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে।
“জামায়াতে ইসলামীর নেতা জুবায়ের বলেন যে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে যদি ঢাকা বারের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অঙ্গনে আইন-আদালতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।”
অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন মন্তব্য করেন যে নির্বাচন কমিশনারদের প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সবগুলো অনিয়ম সম্পর্কে আইনজীবীদের সচেতন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি বলেন যে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তিনি সবুজ প্যানেলের সভাপতি হিসাবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।
পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া ও আরও বিশেষ মুহূর্ত
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ড. হেলাল উদ্দিন, এস এম কামাল উদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, গিয়াস উদ্দিন মিঠু, মো. আব্দুল হক, মাঈন উদ্দিন ফারুকী, এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার এবং মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন যে প্রতিকারের অভাব এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে।
এ সময় আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনা চলছে যে জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিরা কী ভূমিকা পালন করছেন এবং কমিশনের নির্বাচন প্রক্রিয়া কি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ঐতিহ্য বজায় রাখতে সক্ষম হবে কিনা। এ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কিছু সংশয় জাগানোর প্রতিক্রিয়া পেশাজীবী সংগঠনে প্রস্তাব করা হয়েছে।
যদি সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে আইনজীবী সংগঠনের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুতর সংকট তৈরি করতে প