News

জামায়াতে যোগ দিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার

সংসদের কমান্ডার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন জ ম য় ত য গ দ - চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় সংগঠিত যুব ও সুধী সমাবেশে প্রধান আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন

জ ম য় ত য গ দ – চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় সংগঠিত যুব ও সুধী সমাবেশে প্রধান আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. জসিমউদ্দীন। তিনি দলের কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং সহযোগী সদস্যের ফরম পূরণ করেন যার মাধ্যমে তাঁর নতুন সদস্য হিসেবে কাজ শুরু হয়। যোগদানের ঘটনা শনিবার সন্ধ্যায় মতলব কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অনেক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

যোগদানের মূল আন্দোলন

এ ঘটনার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করে জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সহকারী সেক্রেটারি ডা. আবদুল মুবিন বক্তব্য দেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কার্যক্রমের ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ স্পষ্ট করেন। অনুষ্ঠানটি মতলব পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি কবির হোসেন দেওয়ান ও যুব বিভাগের সেক্রেটারি ইদ্রিস খানের সঞ্চালনায় পরিচালিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হারুন অর রশিদ ওসমানী, মতলব দক্ষিণ উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ পাটওয়ারী এবং অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানের সমাপনী অংশে জসিমউদ্দীন প্রধান উপস্থিত অনুষ্ঠানের সকল অংশগ্রহণকারীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি তাঁর ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর কাছে যাওয়ার কারণগুলি ব্যাখ্যা করেন যে আল্লাহর আইন ও কোরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে দেশ ও রাষ্ট্র পরিচালিত হোক এই আশার জন্য তিনি যোগদান করেছেন। তিনি বলেন, “আমি এই সংসদের কমান্ডার হিসেবে নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিস্তারিত করতে চাই, যেখানে আমি জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করব।”

প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশা

যোগদান ঘটনার পর মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্তেরা সামাজিক জীবনে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। তাঁদের মতে, এটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সংহতি বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি রেদওয়ান আহমেদ জাকির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শরীফ পাটওয়ারী সমাবেশটি সমর্থন করেন।

এ বিষয়ে কমিউনিটি সদস্যদের মধ্যে উত্থান ও গৃহীত সমালোচনা শোনা যায়। জামায়াতে ইসলামীর সম্প্রসারণের প্রতি সাধারণ মানুষের সামাজিক সম্মতি প্রকাশ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার জসিমউদ্দীন বলেন, “আগে আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। জীবনে কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কোরআন-সুন্নাহর আদর্শ অনুসরণ করে চলতে চাই।”

প্রতিক্রিয়া হিসেবে বলা হয় যে জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচি দেশের সমস্যার প্রতি সমাধান খুঁজছে। যুব সমাবেশে কমিউনিটি সদস্যদের সংগ্রহ করার মাধ্যমে তারা সম্প্রসারণ করেছেন। বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার যোগদান এ সমাবেশটির অর্থ প্রকাশ করে। আশা করা হয় এ ঘটনার পরিণতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে।

Leave a Comment