জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ: দুই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়ে আসে
জ ম লপ র ট ঙ গ – জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৯ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে মানুষের সমস্যার পরিচয় দেয়ার পর যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। তবে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়, যার ফলে দুপুরে সড়কে চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়। আপনাদের জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ পেতে হৃদয় আহম্মেদ/এসআর/জেআইএম হতে পারেন।
অবরোধের কারণ: দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বৃষ্টির সময় সমস্যা
রোববার (২৪ মে) দুপুরে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবরোধের কারণ হিসেবে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বৃষ্টির পরিণাম উল্লেখ করা হয়। প্রতি বছর বর্ষা ঋতুতে পানি জমে দাপুনিয়া, জঙ্গলপাড়া, দড়িপাড়া এবং শাহাপুর এলাকার বাসিন্দারা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়, যার ফলে নিরাপত্তি প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়। মহাসড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় আটকে থাকা যাত্রী ও বোর্ডার বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাসিন্দাদের অভিযোগ ও কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের পর স্বাভাবিক হওয়ার আশায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চালানো হয়। একাধিকবার দাবি ও অভিযোগ জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় মানুষ সড়কে নেমে আসে। অবরোধের পরিণামে বোর্ডার মানুষ আরও কঠোর কর্মসূচি নিয়ে আসতে বাধ্য হয়। তবে প্রতি বার অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দাপুনিয়া এলাকার বাসিন্দারা প্রায় দুই ঘণ্টা বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীরা অনেক কষ্ট স্বাদে পড়ে। অবরোধের কারণে প্রতিবার সমস্যার পরিচয় দেয়া হয়। যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের নিয়ে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বাসচালক আনিস মিয়া বলেন, যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে। তবে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক স্বাভাবিক হওয়ার পর ঈদের অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা অবরোধের প্রতিক্রিয়া দেয়। সেখানে বৃষ্টির সময় পানি জমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধের বিষয়টি নিয়ে জামালপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. সোহেল মিয�