ছেলেকে নিতে এসে লাশ হয়ে ফিরলেন মা ভাই-বোন
ঈদের আনন্দে প্রস্তুতির মুহূর্তে সংঘটিত দুর্ঘটনা
ছ ল ক ন ত এস ল – ছেলেকে নিতে এসে লাশ হয়ে ফিরলেন মা ভাই-বোন। এই দুর্ঘটনার প্রতিশোক জন্ম নেয় ফরিদপুর ভাঙ্গা উপজেলার একটি সামাজিক প্রতিযোগিতার সময়। ছেলে আরিফুল ইসলাম মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরছিলেন ঈদুল আজহার উপলক্ষে, যার জন্য তাঁর পরিবার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু যখন ছেলেকে নিতে এসে তারা বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন, সেই সুন্দর আনন্দের মুহূর্তে শোকের ছায়া পড়ে যায়। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনার কারণে পরিবারের চার সদস্য মৃত্যুবরণ করেন এবং দুর্ঘটনার ফলে তারা আর ছেলেকে নিয়ে ফিরতে পারেন না।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন শহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ হোসেন (৩০), তার ছোট ছেলে রাকিব হোসেন (২০), মেয়ে আয়শা খাতুন (৩৫) এবং স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫৫)। তাদের সাথে প্রাইভেটকার চালক জাহিদ হোসেন (৩৫) মৃত্যুর সমান দুঃখে পরিবারকে ছেড়ে যান। গুরুতর আহত হয়েছেন ছোট ছেলে হুসাইন (৮) ও মেয়ে তাসফিয়া খাতুন (৩)। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। দুর্ঘটনার খবর গ্রামে স্তব্ধ হয়ে গেছে, কারণ পরিবারটি ঈদে আনন্দে মেতে ওঠার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ছেলেকে নিতে এসে পরিবারের চার সদস্য মৃত্যুর পর এলাকার সমস্ত মানুষ শোকে জড়ানো হয়েছে।
ট্রাক ও প্রাইভেটকারের সংঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ
মালীগ্রাম ফ্লাইওভারে সিলিন্ডার বোঝাই একটি ট্রাক ও প্রাইভেটকারের মধ্যে সংঘটিত দুর্ঘটনার ফলে পরিবারের চার সদস্য মৃত্যুবরণ করেন। যখন ছেলেকে নিতে এসে পরিবারের প্রতিক্রিয়া ঘটেছে, তখন তাদের মৃত্যু ঘটে এবং পরিবারের ক্ষোভ অনুভব করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে পৌঁছে নিয়ে যাওয়ার পর তারা ঘটনার সাক্ষাতকার নিয়ে যান এবং তারা দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ পেয়ে শোক অনুভব করেন। সংঘটনার পর পরিবার এলাকার মানুষদের কাছে চিকিৎসার জন্য জুড়ে আছেন।
দুর্ঘটনার সাথে যুক্ত ছিল বিশেষ করে যারা ছেলেকে নিতে এসেছিলেন। বাড়িতে পৌঁছে ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে সারাদিন কাটবে না এমন আশায় পরিবার সে সময় আনন্দে ভরপূর ছিল। কিন্তু ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সেই সুন্দর আশা ভেঙে যায়। ট্রাকের দুর্ঘটনার ফলে ছেলেকে নিতে এসে পরিবার তার সদস্যদের ক্ষোভে ছিল। এই ঘটনা পরিবারের জীবন বদলে দিয়েছে। তাদের স্ত্রী নুরজাহান বেগম বিশেষ করে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার স্বপ্ন ছিল, যেটি আর পূরণ হবে না।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, নিহতদের বাড়িতে পুলিশ পাঠা�