News

চুয়াডাঙ্গায় নাচ-গান বিতর্কে নারীর মরদেহ দাফনে বাধা

চুয়াডাঙ্গায় নাচ-গান বিতর্কে নারীর মরদেহ দাফনে বাধা চ য় ড ঙ গ য় ন - চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকায় এক মহিলার মৃতদেহ দাফন কার্যক্রমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

Desk News
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চুয়াডাঙ্গায় নাচ-গান বিতর্কে নারীর মরদেহ দাফনে বাধা

চ য় ড ঙ গ য় ন – চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় এলাকায় এক মহিলার মৃতদেহ দাফন কার্যক্রমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর দাফন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এ বিষয়ে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে কিছু বাসিন্দা।

বুধবার (১৩ মে) রাতে ঝিনাইদহ শহরের একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই মহিলা। তিনি সেখানে স্বামীর সঙ্গে বাস করতেন। সকালে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে তার মৃতদেহ চুয়াডাঙ্গার নিজ বাড়িতে আনা হয়। কিন্তু পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং তার সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি প্রকাশ করে স্থানীয়দের একটি গোষ্ঠী দাফন কার্যক্রম বন্ধ করার দাবি জানায়।

আসাদুজ্জামান বলেন, “তার চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। তাই এ এলাকার বাসিন্দারা তাকে এখানে দাফন করতে রাজি হয়নি।” অপর একজন বাসিন্দা মিনারুল ইসলাম দাবি করেন, “এটি আমাদের নিজস্ব কবরস্থান। তিনি বা তার পরিবার এখানে সদস্য নয়। আগে সদস্য হওয়ার কথা বলা হলেও তারা তা মানেননি।”

“এর আগে আমাদের পরিবারের আরেক সদস্যকে এখানেই দাফন করা হয়েছে। এখন কেন বাধা দেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না। কবর খুঁড়তেও দেওয়া হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অন্য কোথাও দাফনের কথা ভাবছি।”

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই মহিলার পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেন। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী ওই মহিলার চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিয়ে হয়েছিল। তার সংসারে দুই মেয়ে এবং এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের ফলে তিনি স্বামী ও সন্তান রেখে ঝিনাইদহের শৈলকূপার আরেকজনের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিতর্কের মূল কারণ

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই মহিলা ছোটবেলা থেকেই নাচ-গান সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার অংশগ্রহণ ছিল। তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি হয়েছিল। এ বিষয়ে স্থানীয়দের কবরস্থানে দাফন করতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করা হয়।

সংসারের গোড়াপত্র

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওই মহিলার পরিবার। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক পারিবারিক অশান্তি তার আত্মহত্যার কারণ হয়েছিল। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী ওই মহিলার চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় বিয়ে হয়েছিল। তার সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। প্রায় ছয় বছর আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি স্বামী ও সন্তান রেখে ঝিনাইদহের শৈলকূপার আরেকজনের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন।

হুসাইন মালিক

Leave a Comment