চামড়াশিল্পকে শক্তিশালী-রপ্তানিমুখী করা সরকারের লক্ষ্য: বাণিজ্যমন্ত্রী
চ মড় শ ল পক শক ত – বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন যে দেশের চামড়াশিল্পকে বৃদ্ধি করে আরও শক্তিশালী এবং রপ্তানিমুখী খাতে পরিণত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে বর্তমানে কোরবানির চামড়ার ব্যবহার উপযোগী অবস্থায় সংগ্রহ করা সম্ভব হবে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগে এবং মসজিদ-মাদরাসা ভিত্তিক সংরক্ষণ কাজের ফলে।
সমন্বিত পরিকল্পনা ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকা
শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে রাজধানীর লালবাগে কোরবানির কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। গতকাল আমিনবাজার এবং আজ পোস্তা ও সাভারের হেমায়েতপুর আড়ত পরিদর্শনের পর তিনি বলেন যে ব্যবসায়ীদের হাতে বিপুল পরিমাণ চামড়া আসছে। এগুলো দ্বারা সরকার দেখেছেন যে আরও বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, চামড়া কিনে ব্যবসায়ীরা তা পরবর্তী শিল্প প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করেন। কাঁচা চামড়া থেকে ওয়েট ব্লু, এরপর ক্রাস্ট লেদার এবং পরে ফিনিশড লেদার তৈরি হয়। সেই চামড়া দিয়ে জুতা, স্যান্ডেল, বেল্টসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করা হয়।
সময়মতো লবণ না মাখালে চামড়ার ব্যবহারিক মূল্য থাকে না বলে তিনি অভিহিত করেন। তাপমাত্রা তুলনামূলক সহনীয় হওয়ায় পরিস্থিতি ভালো আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কিন্তু ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চামড়া নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
পাচার ও সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জ
বাণিজ্যমন্ত্রী পাচার বিষয়ে বলেন, প্রতিবছর চামড়া পাচারের অভিযোগ শোনা যায়। তিনি জানান যে দেশের চামড়া পাচার হোক না কেন সরকার তা বিশেষ করে দেখতে চায়। তার নির্দেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কঠোর নজরদারি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সিইটিপি প্রকল্পের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এগুলো সমাধান করে আরও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারলে দেশের সব চামড়া শিল্পায়নের আওতায় আনা সম্ভব হবে। বর্তমানে সিইটিপির দৈনিক ক্ষমতা দৈনিক ২৫ হাজার কিউবিক মিটার হলেও বাস্তবে তা ১৪ থেকে ১৮