অনলাইন জুয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ চাইতে হবে বলে মনে করছেন তরুণরা
চটকদ র ব জ ঞ পন দ – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি লিংক থেকে অনলাইন জুয়ায় আসক্তির সূত্র বলছেন এক যুবক। তিনি বলেন, মোবাইল হাতে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে প্রায়ই জুয়ার বিজ্ঞাপন দেখতে হয়। কৌতূহল থেকে তিনি লিংক ক্লিক করেন এবং পরে রেজিস্ট্রেশন করে একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন। রেজিস্ট্রেশনের সময় তাঁকে ৩০০ টাকা বোনাস দেয়। সেই টাকার লোভে খেলা শুরু হয়। প্রথম দিকে খেলায় মোটামুটি লাভ হয়। কিন্তু সময় বয়সের সাথে সাথে খেলার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, শত চেষ্টা করেও বের হতে পারছেন না। লোকসান হলেও অপরাধ থেকে মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না।
জুয়া নিয়ে সার্বিক অভিযান শুরু হয়েছে
গত ২৭ এপ্রিল জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জুয়া, অনলাইন জুয়া এবং মাদক বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। একটি সারাদেশীয় অভিযান পরিচালনার কথা জানান তিনি। তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন ও অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল নেওয়া হয়েছে।
“আমার মতো অনেকেই এই রকম প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত হয়।” এক নাম প্রকাশ না করা যুবক বলেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বন্ধু থেকে খেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে নিজেকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সেই বোনাস থেকে খেলা শুরু হয়।
সাইবার মনিটরিং টিম এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধীদের গতিবিধি নজরদারি করা হচ্ছে। ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের ডিবি বিভাগের উপকমিশনার তরিকুল ইসলাম জানান, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার কারণে কেউ কেউ মামলা করে বা জিডি করে। পরে সেগুলো তদন্ত করে অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়।
অভিযানের বিস্তার ঘটছে সারাদেশে
গত ১ মে থেকে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। প্রতিটি সুযোগে আটক করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার দৃষ্টিভঙ্গি উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এই অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
বাংলাদেশ পুলিশের সিসিটিসি ও গোয়েন্দা ইউনিট সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের কাজে সাহায্য করছে। বিটিআরসি ও আ