খাতুনগঞ্জ / চোরাই মসলায় সয়লাব বাজার, দাম নাগালে
খ ত নগঞ জ চ র ই – খাতুনগঞ্জে চোরাই মসলা আমদানি বৃহৎ পরিমাণে বাজারে সয়লাব প্রবাহ সৃষ্টি করেছে। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে খাতুনগঞ্জে গরম মসলার চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগে ভারত থেকে সামান্য পরিমাণে জিরা, এলাচ, লবঙ্গ এবং অন্যান্য মসলাজাতীয় পণ্য চোরাই পথে ঢুকছে। বিশেষ করে সিলেট, কুমিল্লা ও ফেনী সীমান্তে অবাধ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে যার ফলে খাতুনগঞ্জে গরম মসলা বেচাকেনা অস্থায়ী ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। অবৈধ আমদানি করা মসলার দাম খাতুনগঞ্জের বৈধ পথে আমদানি করা পণ্যের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ কম। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং আমদানি করা ব্যবসায়ীরা দাম নিয়ন্ত্রণে সমস্যা ভোগ করছেন।
চোরাই পথে আমদানি ও বাজার অবস্থা
খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার বিশেষ করে ইলিয়াছ মার্কেট ও জাফর মার্কেট ঘিরে চোরাই মসলার স্থান অনুমোদন পেয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গরম মসলার ব্যবহার বৃদ্ধির সুযোগে ভারত থেকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সামান্য পরিমাণে জিরা, লবঙ্গ ও এলাচ আসছে। অবৈধ আমদানি করা মসলার ডিউটি হার না দিয়ে বিক্রি হচ্ছে কেজি বাই কেজি দাম নাগালে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলেন, চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি থাকায় গরম মসলার দাম কমে গেছে। ভারত থেকে সিন্ডিকেট দিয়ে আসা মসলা দেশের বাজারে স্থান নেয়ায় বৈধ আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের ক্ষতি এবং চাহিদা পরিবর্তন
খাতুনগঞ্জে মসলা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চোরাই মসলা আসার কারণে তাদের বাজারে বৃদ্ধি হচ্ছে চাহিদা। গত এক মাস আগে গরম মসলার দাম কমে গেছে। জিরার কেজি ৫৫০ টাকা ছিল, তবে এখন কেজি ৫২০-৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এলাচের কেজি ৩৯০০ টাকা থেকে কেজি ৩৭০০ টাকায় কমেছে। চোরাই মসলা আসার কারণে বাজারে দাম হ্রাস হচ্ছে যেখানে বৈধ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে অবৈধ পথে আসা মসলা সরকারের রাজস্ব ক্ষতি করছে এবং বাজারে সংগ্রহ বিক্রয় বন্ধ হয়ে গেছে।
খাতুনগঞ্জের বৈধ আমদানিকারক ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবাধ আমদানি করা মসলার বিক্রয় বৈধ পথে আসা মসলার চেয়ে দ্বিগুণ কম দামে হচ্ছে। তিনি বলেন, এই সামান্য পরিমাণে আমদানি করা মসলা বাজার আমদানি প্রতিক্রিয়া হারাচ্ছে এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে এলাচ, গোলমরিচ ও জিরা পণ্যগুলো চোরাই পথে আসায় বৈধ ব্যবসায়�