কারা দেশকে মৌলবাদের ভূমি বানাতে চায়
ক র দ শক ম লব দ – কর দেশকে মৌলবাদের ভূমি হিসেবে পরিচিত করতে চায় বলে সংসদের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি জানান যে দেশের সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো এখন অবৈধ সম্প্রদায়ের শিকার হচ্ছে। সোমবার (১ জুন) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে আয়োজিত কর্মসূচিতে তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন যে সব মানুষের ধারণা হয়েছে এ বিষয়টি দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সংক্রান্ত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস রহমান এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?
রুমিন ফারহানা মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু গত কয়েক মাসে এ শহরে সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সঙ্গীতাঙ্গন আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সিনেমা হল বন্ধ করার পরিবর্তে আজকের দিনে কেবল মৌলবাদী উগ্রবাদ বিস্তার হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বর্তমানে কোনো সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। কর দেশকে মৌলবাদের ভূমি হিসেবে পরিচিত করতে চায় বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে সেই কার্যকলাপ সবার জন্য ক্ষতিকর হবে।
“বনলতা এক্সপ্রেস” ছবির প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর নয় বরং জনতার যুদ্ধ ছিল। তেমনি ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেছিলেন। কারণ সেই সময় দেশের জনতা মৌলবাদী চাপের মুকাবিলা করছিল। তাই কেউ যদি দেশের গণআন্দোলনকে কুক্ষিগত করতে চায়, তার পরিণতি অতীতে ভালো হয়নি, ভবিষ্যতেও ভালো হবে না।”
সাংস্কৃতিক আঁকড়া হচ্ছে কেন?
রুমিন ফারহানা স্পষ্ট করে বলেন যে দেশের মাটি পূর্বে মৌলবাদের ভূমি হিসেবে পরিচিত হয়নি। কিন্তু গত দুই বছরে কবর থেকে মাজার ভাঙা, লাশ পোড়ানো এবং সাংস্কৃতিক স্থাপনাগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে এ সময় মৌলবাদী উগ্রবাদ দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এবং তা দেশের সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে বিভিন্ন আঁকড়া হচ্ছে। তিনি মনে করেন কর দেশকে মৌলবাদের ভূমি হিসেবে পরিচিত করতে চায় বলে সবার ধারণা গড়ে উঠছে।
এই প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান যে কর দেশকে মৌলবাদের ভূমি হিসেবে পরিচিত করতে চায় বলে সিনেমা বন্ধের পেছনে কারা দা�