কনস্টেবল মিজানুর রহমানের ধর্ষণ ও তালাক অভিযোগ
অভিযুক্ত কনস্টেবলের স্ত্রীকে ফুসলিয়ে বিয়ে করেন
কনস ট বল র ন ম অভ – কনস্টেবল মিজানুর রহমান (২৯) নামে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানায় কর্মরত এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি সহকর্মী কনস্টেবলের স্ত্রীকে প্রেরণ করেন এবং তার স্ত্রীকে প্রায় দেড় বছর সংসার করার পর তালাক দেন। এই অভিযোগ শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় ভুক্তভোগী তরুণী দ্বারা জমা দেওয়া হয় সোমবার (২৫ মে)। কনস্টেবলের নামে সংঘটিত ঘটনার পর কনস্টেবল মিজানুর রহমান সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন।
বিয়ের পর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ
ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা বাজার এলাকায় অবস্থিত। তার স্ত্রীকে আকৃষ্ট করার পর ওই নারীকে ফুসলিয়ে তার চার বছর বয়সী কন্যাসন্তানসহ ২০২৩ সালের ৭ জুলাই বিয়ে করেন কনস্টেবল মিজানুর রহমান। যখন তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়া হয়, তখন ভুক্তভোগী তরুণী আদালতে মামলা করেন যার ফলে কনস্টেবল পুনরায় বরখাস্ত হন।
বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি আবার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। গত ৯ মে তার ধর্ষণ ঘটে যায় এবং ঘটনার পর তিনি পালিয়ে যান। এই সময় কনস্টেবলের নামে ঘটিত ক্রিমিনাল কার্যক্রম নিয়ে জনমত আলোচনা চলে।
আদালত ও কনস্টেবল মিজানুর রহমানের অবস্থা
তালাক দেওয়ার পর কনস্টেবল মিজানুর রহমান সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন। কিন্তু তার পর থেকে তিনি আবারও তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গত ৯ মে তার ধর্ষণ ঘটে এবং এই বিষয়টি আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কনস্টেবল মিজানুর রহমান এখনও আপন নামে এই অভিযোগ নিয়ে সমালোচনার মুখে রয়েছেন।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরা কনস্টেবলের নামে সংঘটিত ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মনে করেন। তিনি জানান, কনস্টেবল মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তের পর আদালত কার্যক্রম আরম্ভ করেছে।
কনস্টেবলের নামে এই সামাজিক ঘটনা সম্পূর্ণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিষয়টি আদালতে সম্পূর্ণ প্রমাণ জমা দেওয়া হয় এবং আসামী কনস্টেবল মিজানুর রহমান সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেফতার হন। তিনি কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন কিন্তু এই ঘটনা হয় তার ব্যক্তিগত জীবনে।
এই কনস্টেবলের নামে ঘটিত অপরাধ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়। তালাকের পর ধর্ষণের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি আবারও স্ত্রীকে আক�