বান্দরবান পৌর এলাকার সমন্বয়হীন বিকাশ দুর্ভোগের শেষ থাকে না
উন নয়ন সমন বয়হ নত র ম – বান্দরবান পৌর এলাকার মানুষদের বর্তমানে সমন্বয়হীন উন্নয়ন এবং অব্যবস্থাপনা অবশ্য দুর্ভোগ বাড়ছে। প্রতিদিন অসংখ্য সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি চলছে যেখানে চলাচলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া অবশ্য দুর্ভোগ মুক্ত হয় না। বর্ষাকালে এগুলো বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নদীতে ছড়িয়ে পড়ে।
বান্দরবান পৌরসভা ১৯৮৪ সালে গঠিত হয়েছিল। তবে এখনও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়নি। এর ফলে সাঙ্গু নদীর তীরে বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বর্তমানে পৌরসভার জনসংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি। তবে স্থায়ী বর্জ্য সংগ্রহ কেন্দ্র না থাকায় নগরের পরিবহন ও জীবনযাপন বিপর্যস্ত হয়েছে।
২০২২ সালে আদমশুমারি অনুযায়ী পৌরসভার জনসংখ্যা ৪০ হাজার। এখন তা বেড়েছে ৬০ হাজারের বেশি। যে কোটি কোটি টাকার ব্যয়ে সড়ক উন্নয়ন করা হয় তা আবার অন্য বিভাগের খোঁড়াখুঁড়িতে ব্যয় হচ্ছে। নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা ও তদারকি না থাকায় যানবহন সুবিধার সমস্যা দুর্ভোগ বাড়ছে।
বর্জ্য প্রবাহ নদী পরিবেশ ধূমপানের অগ্রযাত্রা
স্থানীয় জহির রায়হান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সড়কটির লেমুঝিরি এলাকায় বর্জ্যের দুর্গন্ধে পথ চলা কষ্টকর। ডাম্পিং স্টেশনটি নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বর্ষামৌসুমে বৃষ্টির পানিতে এগুলো ধুয়ে সরাসরি নদীতে পড়ছে। এতে নদীর পানি দূষিত হয়ে যাচ্ছে।’
বান্দরবান পৌর এলাকার ক্ষেত্রে সরকারি কোটি কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত সড়কগুলো অন্য বিভাগের খোঁড়াখুঁড়িতে সম্পূর্ণ ব্যয় বর্বর হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সড়কে বিভিন্ন স্থানে গর্ত করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল থেকে নতুন প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। এদের করা গর্তে পড়ে অনেকের হাত-পা ভেঙেছে। আরিফ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের তেমন উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না।’
বাজার এলাকার বাসিন্দা মংকিং সাই মারমা জাগো নিউজকে বলেন, ‘যৌথ কর্মপরিকল্পনা না থাকায় একই স্থানে বারবার উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে। এসব অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ও যত্রতত্র পার্কিংয়ের কারণে নগরবাসীদের জীবন আক্রান্ত হয়েছে।’