আম চাঙা উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, জীবিকায় জড়িত লাখো মানুষ
আম উৎপাদনের চলমান উৎসব
আম চ ঙ উত তর ঞ চল – আম চাঙা উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। সুদূর উত্তরাঞ্চলে গ্রীষ্ম উপস্থিতির সাথে সাথে এ উৎপাদনের এক নতুন পর্ব শুরু হয়। বাগান থেকে বাজার পর্যন্ত প্রস্তুতি শুরু হয় আমের সুবাসে সম্পূর্ণ জনপদের ভিড়। ট্রাক ভর্তি চালান ও ক্রেতা-বিক্রেতার বৃহত্তর সংখ্যক লোক এ কাজে জড়িত। আম উৎপাদন শুধু একটি ফলের উপর নয়; এর সঙ্গে জড়িত হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং লাখো মানুষের জীবিকার সংক্রমণ হয়েছে। এই বছর উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজার ব্যবস্থার বিস্তারের কারণে এ উৎপাদন সম্পূর্ণ একটি সামগ্রিক উৎসব হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
বাজার পর্যায়ে আমের প্রাধান্য
বর্তমান মৌসুমে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর জেলাগুলোতে প্রায় ১২ লাখ ৫৫ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আম উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থা, পরিবহন ও প্যাকেজিং সহ বিস্তৃত বাণিজ্যিক চক্রের মাধ্যমে এ মৌসুমে কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্ভব। এই উৎপাদন কেন্দ্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক চাকরি ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সামগ্রিক প্রভাব হচ্ছে। আম চাঙা উত্তরাঞ্চলে সম্পূর্ণ বছরের মাধ্যমে প্রতিবছর উৎপাদন এবং বিক্রয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদানের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করছে।
আম চাঙা উত্তরাঞ্চলে বিভিন্ন জাতের উদ্ভাবন ও আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতির ফলে এ উপজাতি জাতীয় অর্থনৈতিক মূল্যেও অবদান রাখছে। এ বছর কানসাট মোকামে উৎপাদন শুরু হয়েছে দেশি গুটি ও গোপালভোগ আম বাজারে। পর্যায়ক্রমে ফজলি, খিরসাপাত, ল্যাংড়া, আম্রপালি ও আশ্বিনা বাজারে আসবে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলন ভালো হবে বলে বিশ্বাস করা হচ্ছে। উৎপাদন সম্পন্ন হওয়ার পর এ আম সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলে বিশেষ ব্যবসায়িক গুরুত্ব অর্জন করেছে।
ধান ও আলুর পর এখন আম উত্তরাঞ্চলের কৃষি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। পরিকল্পিত ভাবে আম ভিত্তিক শিল্প গঠন করা সম্ভব হলে সম্পূর্ণ বছর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে, জানান অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জ