আন্তর্জাতিক চা দিবস
আন তর জ ত ক চ দ – আজ চা শিল্পের গুরুত্ব স্বীকার করে আন্তর্জাতিক চা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। এই দিবসে টেকসই উৎপাদন, শ্রমিক কল্যাণ, নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এবারের বিষয়টির প্রতিপাদ্য হল ‘সাস্টেইনেবল টি, সাপোর্টিং কমিউনিটিস’। চা শিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ অঞ্চলগুলোতে শিল্পের প্রসারে এ খাত সামিল রয়েছে। এ পরিসরে দেশে প্রায় ১৭০টি চা বাগান রয়েছে যেখানে লাখো মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন।
নতুন পরিবেশবান্ধব সমাধান খুঁজছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ
আধুনিক চ্যালেঞ্জগুলো মুখে পড়ছে চা শিল্পের জন্য। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উৎপাদন ব্যয়ের বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা এবং মান নিয়ন্ত্রণের সমস্যা চালু হয়েছে। এসব সমস্যার সমাধান খুঁজতে শিল্পের সঙ্গে গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্রিক যুক্ত হচ্ছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি (এফইটি) বিভাগ এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এটি দেশের প্রযুক্তিভিত্তিক উচ্চশিক্ষার প্রথম কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম।
বিভাগটি ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে ‘টি টেকনোলজি’ নামে সংস্থাপন করা হয়, যেখানে পরে সম্প্রসারিত হয়ে এখন পূর্ণাঙ্গ ‘ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি’ বিভাগে রূপান্তরিত হয়েছে। এখানে চায়ের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, খাদ্য প্রকৌশল, গুণ নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ও শিক্ষার কাজ চলছে। শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও গুরুতর চ্যালেঞজ মোকাবিলা করতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
“বর্তমানে চা শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে মানসম্পন্ন উৎপাদন, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং দক্ষ জনবল তৈরি করতে হবে।”
শিল্পের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান করতে দেশের বিভিন্ন চা বাগান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সামিল রয়েছেন। এ ভাবে একাডেমিক সহযোগিতা বাড়ছে এবং প্রাথমিক সমস্যার সাম্প্রদায়িক সমাধান সৃষ্টি হচ্ছে। নিয়মিত আয়োজিত সেমিনার, কর্মশালা ও ইন্ডা�