অসহ্য গরমে ঝুঁকিতে শিশু-বয়স্করা, জরুরি সতর্কতা
অসহ য গরম ঝ ক ত শ – দেশের সমস্ত অংশ এখন তীব্র তাপমাত্রার আঁ গ্রাস করেছে। সেই সঙ্গে বাতাসে অস্বাভাবিক আর্দ্রতার সমন্বয় ঘটলে অসহ্য গরমের অনুভূতি বেড়ে যায়। অত্যন্ত গরমে মানুষের মধ্যে পানিস্বল্পতা, মাথা ঝিমঝিম, খিঁচুনি এবং হিটস্ট্রোক এমন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইনডোর কাজের সময় গরমের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে অবিলম্বে কার্যকর সতর্কতা নেওয়া জরুরি।
এই গরমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইসিডিডিআর,বি পরামর্শ দিয়েছে
আইসিডিডিআর,বি বিশেষ নির্দেশনায় জানালো যে আপনার পরিবারে যদি শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি থাকেন, তবে তাদের জন্য আলাদা পরিচর্যা করা আবশ্যক। ঘরের পরিবেশ বিশুদ্ধ থাকার জন্য জানালা খুলে বা ফ্যান চালিয়ে বাতাসের প্রবাহ ব্যবস্থা করতে হবে। অসুস্থ বোধ হলে কবিরাজি বা ঘরোয়া টুটকির উপর নির্ভর করতে পারেন না।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে এবং বাতাসে অস্বাভাবিক আর্দ্রতার কারণে সারাদেশে জনজীবন বিপর্যস্ত। এসময় প্রচুর ঘামের ফলে পানির সঙ্গে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লবণও বেরিয়ে যায়। ফলে রক্তচাপ কমে যাওয়া, দুর্বলতা এবং মারাত্মক পানিস্বল্পতা দেখা দিতে পারে।
তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে হিটস্ট্রোকের আশঙ্কা থাকে। এই অবস্থায় শরীরে ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, শুষ্ক ও লালচে ত্বক, অসংলগ্ন আচরণ এবং খিঁচুনির মতো বিপজ্জনক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে সরাসরি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শরীরে পড়লে ত্বকে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকজনিত ইনফেকশন হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, তাপপ্রবাহে শিশু, বয়স্ক, প্রসূতি, শ্রমজীবী এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। বিশেষ করে কৃষক, রিকশাচালক এবং নির্মাণশ্রমিকর