অফিসের চাপ ভালো লাগে না / আইটির চাকরি ছেড়ে অটোরিকশা চালান তরুণী, মাসে আয় ৬০ হাজার
অফ স র চ প ভ ল – অফিসে অবিচ্ছেদ্য মিটিং, জরুরি কলের মাধ্যমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করার দায়িত্ব সামলানো—আইটি খাতে বাস্তব জীবনে এই পরিস্থিতি সাধারণ। সাহসী তরুণী এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে নিজের গল্প ছড়ানো হয়েছে বাংলাদেশের আইটি সেক্টর থেকে। তিনি নিজের চাকরিতে নিশ্চিত ভবিষ্যত ছেড়ে অটোরিকশা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে করপোরেট অফিসের শীতার্তন ও গরম ঘরে চাপ থেকে মুক্তি পেতে।
অটোরিকশা চালানো শুরু করার পর তার মাসিক আয় প্রায় ৬০ হাজার রুপি (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮৫ হাজার টাকা) হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে আইটি কর্ম পরিস্থিতি তাকে প্রচণ্ড মানসিক আক্রমণের মুখোমুখি করেছিল। কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে।
আইটি সেক্টরে ১৮ বছর কাটানোর পরও আমাকে এখনো অবিচ্ছিন্ন মিটিং সইতে হয়, যা আসলে একটা ই-মেইলের মাধ্যমেই সেরে ফেলা যেত। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কুইক কল এবং গভীর রাতে টেকনিক্যাল সমস্যার পেছনে ছুটতে ছুটতে আমাদের ধৈর্য ও মানসিক শক্তি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তার অটোরিকশা চালানোর গল্প ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। ব্যাংক ব্যালেন্সে প্রায় ৫০ লাখ থেকে দুই কোটি রুপি জমিয়ে নিয়েছেন বলে জানান একজন ব্যবহারকারী। তিনি দাবি করেন যে করপোরেট জীবনে অনেকে অসাধারণ জীবনযুদ্ধে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়ার জন্য নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়া তার কাছে স্বাধীনতা আছে বলে মনে হয়।
এ ঘটনার সূত্র ধরে আরেকজন ব্যবহারকারী ভারতের উত্তর প্রদেশের একজন ব্যক্তির গল্প শেয়ার করেন। তিনি জানান যে করপোরেট চাকরি ছেড়ে অটোরিকশা চালানো শুরু করার পর সাত বছর পর তিনি পাঁচটি ট্রাকের মালিক হয়েছেন এবং প্রায় পাঁচ কোটি রুপির সম্পত্তি গড়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি কেএএ/