অনীক দত্তর চলে যাওয়া মানতে পারছেন না জয়া আহসান
অন ক দত তর চল য ওয় – অন ক দত তর চল য ওয় – বুধবার দুপুরে টালিগঞ্জে নির্মাতা অনীক দত্তের আকস্মিক মৃত্যুর খবর প্রকাশ হতেই বাংলা চলচ্চিত্র সম্প্রদায়ে শোকের ছায়া ছড়িয়েছে। তার সহকর্মীদের এবং শুভাকাঙ্ক্ষুদের মনে গভীর বিষণ্ণতা ছড়িয়েছে, কারণ মাত্র কয়েক দিন আগে তার জন্মদিন উপলক্ষে সামগ্রিক উৎসব চলছিল। অনীক দত্তের মৃত্যু বাংলা সিনেমার জগতে অসাধারণ ধাক্কা দিয়েছে, যার প্রতিফলন সুন্দর জয়া আহসান দ্বারা স্মৃতিচারণামূলক পোস্টে পরিলক্ষিত হয়েছে।
জয়া আহসানের স্মৃতিচারণা সিনেমার বিশেষ দিনে
তার মৃত্যু ঘটার পাঁচ দিন পর সামাজিক মাধ্যমে জয়া আহসান একটি স্মৃতিচারণামূলক পোস্ট প্রকাশ করেন। তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতার কয়েকটি লাইন উদ্ধৃত করে লেখেন, “শোনা গেল লাশকাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে/ কাল রাতে- ফাল্গুনের রাতের আঁধারে…।” তিনি আরও বলেন, “যদিও ফাল্গুন নয়, আজ কি পঞ্চমী তিথি? জানি না… তবু আজ মনে মনে যতবার অনীকদার মুখের দিকে দেখছি, জীবনানন্দের এই কবিতা আমায় আষ্টেপৃষ্ঠে ধরছে।” জয়া আহসানের পোস্ট অনীক দত্ত ও তার রচনাগুলির মানে নিয়ে কেন্দ্রীয় চর্চা আকর্ষণ করেছে।
চলচ্চিত্র জগতের বিষণ্ণতা ও প্রতিক্রিয়া
জয়া আহসানের মতো অভিনেত্রীদের বলেছেন যে, অন ক দত তর চল য পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলি কোনও সীমা ছাড়া জীবনের গল্প বহন করেছিল। তিনি আরও মনে করেন যে, এই বিদায় শুধু বাংলা চলচ্চিত্র জগতে ক্ষতিকর হয়েছে, ভারতীয় সিনেমার জন্যও অপূরণীয় ক্ষতি সৃষ্টি করেছে।
অনীক দত্তের চলে যাওয়া মানে ছাড়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন তার নিকট থেকে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা। তার আত্মহত্যার ইঙ্গিত ছিল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে, কিন্তু তদন্ত অপেক্ষা করছে পুলিশ। মৃত্যুর ঘটনার স্থান ছিল গড়িয়াহাট থানার কাছে, যেখানে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অনীক দত্ত বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছিলেন বলে প্রাথমিক খবর প্রকাশ করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় নানান চলচ্চিত্রের নাম উঠে আসে, যেমন ‘ভূতের ভবিষ্যত’, ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘বরুণবাবুর বন্ধু’ এবং ‘অপরাজিত’ এসব সিনেম