অধ্যাপক মুজিবুর রহমান / হারাম টাকায় বাজেট করলে সেখানে কোনো বরকত হতে পারে না
অধ য পক ম জ ব র – জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “হারাম টাকার বাজেট করলে সেখানে কোনো বরকত হতে পারে না।” মঙ্গলবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংলাপে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, নৈতিক ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার, দলীয়করণের অবসান এবং জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়। তিনি একটি বাজেট আসে আবার যায় বলে দাবি করেন, যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে তার সাথে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না। তিনি স্লোগান দিয়েছেন গৎবাঁধা বাজেট ও গরিব মারার বাজেট এবং বাজেটের কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেন।
জনগণের কল্যাণ দেখার প্রয়োজনীয়তা
তিনি আরও বলেন, “বাজেট আসলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে জনগণ পেরেশান হয়ে যাচ্ছে। এজন্য কৃষকের বাজেট, শ্রমিকের বাজেট, শিক্ষকের বাজেট বিশ্লেষণ করে আমরা দেখতে হবে কতটুকু কী করা যায় জনগণের কল্যাণের জন্য।” এ বিষয়ে সংলাপে আরও কথা বলেন ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ, “পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনাখরচে দেওয়ার কথা বলা হলেও স্কুলে উপকরণের অভাব রয়েছে। শিক্ষার জন্য বই ও বেতন ফ্রি করে দেওয়া হলেও সেটি শিক্ষার সম্পূর্ণ ফ্রি হয় না।” তিনি কর্মমুখী শিক্ষার আওতায় দুটি ধারা সম্পর্কে অভিযোগ করেন যে স্কুলগুলো সমন্বিত না হওয়ায় বাচ্চাদের বৃত্তিমূলক শিক্ষা পেতে সম্ভব হচ্ছে না।
“একটি স্কুল ও একটি ভোকেশনাল স্কুল একসঙ্গে কাজ করলে প্রত্যেক বাচ্চার মূলধারায় ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা পেতে সম্ভব হবে। মূলধারার শিক্ষার্থীদের ভোকেশনাল স্কুলে আবার আবেদন করতে হচ্ছে।”
বরাদ্দের দরকার এবং অভাব
অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব বলেন, “বাংলাদেশে শিক্ষাখাতে জিডিপির কেবল ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়, যখন শ্রীলঙ্কা ও ভুটানে এটি প্রায় ৫-৬ শতাংশ। এজন্য আমরা কত পিছিয়ে আছি সেটি উপলব্ধি করতে হবে এবং বরাদ্দ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।” তিনি উল্লেখ করেন মাহাতির মুহাম্মদের কথা, “তিনি ক্ষমতায় এসে শিক্ষাখাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। যদি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার ও প্রফেসর