National

২০৩৪ সালের মধ্যে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হবে বাংলাদেশ

og_1781236141_6a2b81ad38df2

২০৩৪ সালের মধ্যে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হবে বাংলাদেশ

Bangladailypost.com – ২০৩৪ স ল র মধ য আঞ – ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেন। এ ঘোষণা তিনি জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতার সময় করেন এবং এটি বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও উন্নীত করার উদ্দেশ্য রয়েছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য খাতে সম্প্রসারণ ঘটানো হবে এবং দেশের আন্তর্জাতিক পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

অভিযান এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্য

২০৩৪ সালের মধ্যে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য খাতে সম্প্রসারণ সাধনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এটি আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিষেবা ও লজিস্টিকস খাতে নতুন উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিমান খাতের আধুনিকীকরণ এবং প্রাথমিক কার্যক্রমগুলো উল্লেখ করা হয়। এভিয়েশন হাব গঠন দ্বারা দেশের আন্তর্জাতিক সংযোগের প্রসার ঘটবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যোগাযোগের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে।

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে এমন প্রকল্পে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম অবিলম্বে পরিচালনা করা হবে। বিমান খাতের আধুনিকীকরণ ও প্রাথমিক কার্যক্রমগুলো প্রস্তুতি করে উঠছে, যা বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার মূল পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি দিতে সাহায্য করবে।

প্রাথমিক কার্যক্রম ও অনুসন্ধান

২০৩৪ সালের মধ্যে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গঠনের জন্য জাতীয় এয়ার কানেকটিভিটি গ্রিড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোকে যাত্রী পরিষেবা ও লজিস্টিকস হাব হিসেবে উন্নীত করার কাজ চলছে। অতিক্রম করা হয়েছে কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে নতুন স্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্য। এছাড়াও বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ ক্রয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যা এভিয়েশন হাবের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

২০৩৪ সালের মধ্যে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব গঠন দ্বারা সামগ্রিক আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যের সাথে দেশের আরও গুরুতর সম্পর্ক স্থাপন হবে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং এই প্রস্তুতি দ্বারা আন্তর্জাতিক পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। এই কার্যক্রমে সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া ত্বরানীত করা হবে এবং পরিবহন প্রতিষ্ঠান কেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *