আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার বদ্ধপরিকর: মন্ত্রী
আন ত স ম ন ত নদ – পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় প্রক্রিয়াতে সরকার বদ্ধপরিকর হয়েছে। তিনি এ বিষয়টি আরো গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সম্প্রতি এটি নির্বাচনি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং দেশের পূর্ণ ভাবে সমন্বয়ে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির সম্পদ বিষয়ে অবকাঠামো সৃষ্টির ফলে শুকনো মৌসুমে দেশে পানির প্রবাহ হ্রাস হচ্ছে—যা অসত্য নয়। সেই কারণে সরকার বর্তমান চুক্তি এবং সমঝোতাগুলির পর্যালোচনা করছে এবং নতুন চুক্তি গ্রহণ করতে চলছে।
বর্তমান চুক্তির পর্যালোচনা এবং সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব
বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত, নেপাল, ভূটান এবং চীনের সাথে আন্তঃসীমান্ত নদী বিষয়ে বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা রয়েছে। এগুলি সমুদায় দেশের জলসম্পদের সম্পর্কে সুনিশ্চিত করতে সাহায্য করে। মন্ত্রী বলেন, সরকার এই চুক্তির অপরিশোধিত প্রাপ্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির পানি বণ্টনে সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে আন্তঃসীমান্ত নদী পানি বণ্টনে স্থায়ী সমাধান খুঁজে পেতে সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্রক্রিয়া ক্রমাগত চালু হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, এই প্রক্রিয়া দিয়ে সমুদায় দেশের মধ্যে পানি সম্পদের সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হিস্যা আদায় সম্পাদন করা হবে। এটি দেশের আর্থিক এবং পরিবেশগত ক্ষেত্রে অবদান রাখবে এবং ভবিষ্যতে বিশ্বাসযোগ্য প্রবাহ ব্যবস্থা তৈরি করবে।
পানি বণ্টন প্রক্রিয়া ও সংস্থাগুলির ভূমিকা
মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী উল্লেখ করেন যে সরকার আন্তঃসীমান্ত নদী পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে বর্তমান চুক্তি ও সমঝোতাগুলি পর্যালোচনা করে নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদনে সম্পৃক্ত সংস্থাগুলির সহযোগিতা অপরিহার্য। এ কারণে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীনের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে। সমাপ্ত চুক্তি দ্বারা নদীর পানির সম্পদ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হবে এবং ভবিষ্যতে পানি প্রবাহের ন্যায্য হিস্যা আদায়ের জন্য ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরো বলেন যে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি সম্পদ সংক্রান্ত বিষয়টি সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। সেই কারণে সরকার এ বিষয়টি সাধারণত প্রথম প্রাথমিকতা দিয়ে আছে। মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থার আরও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আদায় বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে কাজ চালু করা হয়েছে কারণ এটি প্রাণী জনগণের পানি সরবরাহ এবং জাতীয় উন্নয়নের জন্য আবশ্যক। এখন পর্যন্ত সরকার বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে পানি বণ্টনের