২৭তম বিসিএস / ১৭ বছরের অপেক্ষা শেষে চাকরি, ছয় মাসেও নেই বেতন
২৭তম ব স এস ১৭ বছর র – ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত কর্মকর্তারা আদালতের রায়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর চাকরি পেয়েছেন। কয়েকশ কর্মকর্তা যোগদান করেছেন, কিন্তু তাদের বেতন ও ভাতা পেয়েছেন না। তাদের মধ্যে অনেকের জন্য যোগদানের প্রায় ছয় মাস পরও আর্থিক সুবিধা পৌঁছেছে না।
নিয়োগ প্রক্রিয়া ও আইনি লড়াই
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের ভিত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রথম ধাপে ৬৭৩ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেন। ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশ করে এই নিয়োগ ঘোষণা করা হয়। পরে ২০২৬ সালের মে মাসে আরও ৯৬ জন নিয়োগের বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নিয়োগকাল সংরক্ষণের বিষয়টিও সরকার বিবেচনায় নিয়েছে।
‘আদালতের রায়ে চাকরি পাওয়া এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, আদালতের রায়ের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের নবম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেতন নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্পষ্টীকরণ না আসায় অনেক কর্মকর্তা বেতন উত্তোলন করতে পারেননি।’
সরকার বিবেচনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় বেতন-স্কেল নির্ধারণ ও আর্থিক সুবিধা চূড়ান্ত করতে সময় লাগছে। আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে সারসংক্ষেপ অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। এতে চলতি সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।
বেতন প্রদানে অগ্রগতি
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে কেউ নতুন ক্যাডার থেকে এসেছেন, কেউ অন্য ক্যাডার বা নন-ক্যাডার সরকারি চাকরি থেকে আসেন। পে-প্রোটেকশন সহ বিভিন্ন বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে। অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রবিধি ও বাস্তবায়ন) দিলরুবা শাহিনা বলেন, ‘বেতন-স্কেল নির্ধারণ ও বেতন-ভাতা পরিশোধের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল হওয়ায় সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগছে। কিন্তু প্রক্রিয়াটি প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং আগামী দু-তিনদিনের মধ্যে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’
‘প্রতিটি কর্মকর্তার চাকরিগত পটভূমি, যোগদানের সময় এবং প্রাপ্য সুবিধা আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হচ্ছে। এ কারণে বিষয়টি একাধিকবার পর্যালোচনা ও সংশোধন করতে হয়েছে। তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নিলে কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।’
২০০৭ সালে বাতিল হওয়া ২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক হাজার ১৩৭ জন চ