ভবন নির্মাণ তদারকিতে জেলা-উপজেলা কমিটি গঠন
ভবন ন র ম ণ তদ রক – সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটি গঠন করেছেন যাতে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার বাইরে ভবন নির্মাণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হবে। জেলা পর্যায়ের কমিটি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে গঠিত হয়েছে যেখানে ধারা ১১ অনুযায়ী নকশা অনুমোদন, নির্মাণকাজের তদারকি এবং ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ করার দায়িত্ব আছে।
কমিটির সদস্য ও কাজ
জেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাজ করবেন। সদস্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও, পৌরসভার মেয়র, স্থাপত্য অধিদপ্তর এবং নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত হবেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
উপজেলা কমিটির সভাপতি হবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। সদস্যদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সহকারী কমিশনার (ভূমি), পৌরসভার প্রতিনিধি (যদি থাকে), ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী অন্তর্ভুক্ত হবেন। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
কার্যক্রমের প্রতিবেদন ও কার্যপরিধি
কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে ভবনের স্থাপত্য ও কাঠামোগত নকশা অনুমোদন, ভারবহন ক্ষমতা যাচাই, ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি)-২০২০’ অনুসারে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নির্মাণকাজে সেটব্যাক, সর্বোচ্চ গ্রাউন্ড কভারেজ (এমজিসি), ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর), অগ্নিনিরাপত্তা ও জ্বালানি সক্ষমতা বিবেচনার দায়িত্ব।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে কমিটি প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি সভা আয়োজন করবে এবং প্রতি তিন মাস অন্তর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে।
নতুন ব্যবস্থায় উপজেলা কমিটি সর্বোচ্চ সাততলা ভবনের নকশা অনুমোদন করবে। সাত তলার বেশি উচ্চতার ভবনের নকশা অনুমোদনের দায়িত্ব জেলা কমিটির ওপর আছে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।
অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটলে কমিটি নির্মাণকাজ স্থগিত করতে পারবে। অবৈধ অংশ ভেঙে অপসারণ এবং অনুমোদন বাতিল করার নির্দেশও দেওয়া যাবে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মোবাইল