বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সভায় বজ্রপাত নিয়ে আলোচনা
বজ রপ তপ রবণ ১৫ জ ল – ২৪ জুন রাজধানী আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে আয়োজিত গোলটেবিল মতবিনিময় সভায় বজ্রপাতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক নিতাই চন্দ্র দে সরকার। সভায় আইভিআর ও ভৌগোলিক অবস্থানভিত্তিক ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বিটিআরসি ও মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নিতাই চন্দ্র দে বলেন, কয়েক দশক আগে বজ্রপাত পূর্বাভাস দেওয়া যেতো ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময়। এখন দুই থেকে চার ঘণ্টা আগে সতর্কবার্তা প্রেরণ করা সম্ভব হয়েছে।
ভৌগোলিক সতর্কবার্তা পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ
তিনি দাবি করেন যে বর্তমানে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নত, কিন্তু লোকেশনভিত্তিক সতর্কবার্তা প্রেরণে ব্যয়ের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এ কাজের জন্য বিটিআরসি ও অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ প্রয়োগের পরিকল্পনা আলোচনার মধ্যে রয়েছে। নিতাই চন্দ্র দে বলেন, বিশেষ ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি জেলায় ৬ হাজার ৭০০টি বজ্রনিরোধক দণ্ড ও তিন হাজার ৫০০টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
“আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছাতে না পারলে সরকারি উদ্যোগের সুফল পাওয়া যাবে না।”
সংযুক্ত সংস্থার সহায়তা
সভায় আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা রাইমস ও ইউনিসেফের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য পৌঁছাতে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম সভাপতি হন।
বজ্রনিরোধক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা
প্রকল্পটি প্রাথমিক অনুমোদন পেলেও বাস্তবায়ন শুরু হয়নি। বজ্রনিরোধক দণ্ডের কার্যকারিতা সীমিত এলাকায় থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাই শুধু এ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, ১০৯০ নম্বর সেবাটি সব মোবাইল অপারেটরের জন