National

পরীমনির সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্ক’, এডিসি সাকলায়েনের অবসর নিয়ে যা জানা গেলো

পরীমনি এবং সাকলায়েনের অবৈধ সম্পর্কে আলোচনা চলছে পর মন র সঙ গ অব ধ পরিচালিত ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো.

Desk National
Published June 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পরীমনি এবং সাকলায়েনের অবৈধ সম্পর্কে আলোচনা চলছে

পর মন র সঙ গ অব ধ পরিচালিত ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গোলাম সাকলায়েন বর্তমানে ঝিনাইদহের ট্রেনিং সেন্টারে অবস্থান করছেন এডিসি পদে। তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানের বিষয়ে আলোচনা চলছে যেটি নির্ধারণ করার জন্য সরকারি কর্ম কমিশনে যথেষ্ট প্রমাণ অনুসন্ধান চালু রয়েছে। এই বিষয়ে গুরুদণ্ড হিসেবে তাঁকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে।

পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে

তদন্তের মাধ্যমে পরীমনির বাসায় তাঁর অবস্থানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট ও বিভিন্ন সূত্রের স্বাক্ষরিত চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে পরীমনি এবং সাকলায়েন একটি ঘটনার পর থেকে যোগাযোগ করেন। এ ঘটনা ছিল সাভারের বিরুলিয়া বোট ক্লাবে সম্পাদিত একটি মামলার পর। ক্লাবের নেতা নাসির উদ্দিন মাহমুদকে সহযোগী হিসেবে গ্রেফতার হন পরীমনি, যার পরদিন তাঁকে আসামি করা হয়।

“বিষয়টি মন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানা যেতে পারে। ঘটনাটি আমিও দেখেছি। এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঘটনাটি সত্য।”

উক্ত কথা দিয়ে পরীমনির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের সত্যতা স্বীকৃত হয়েছে। তদন্তে সাকলায়েনের প্রতি সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল একটি বিশেষ ধরনের সাক্ষ্য দিয়েছেন যে পরীমনি রাজারবাগের মধুমতি ভবনে প্রায় ১৮ ঘন্টা অবস্থান করেন। পরীমনি এই অবস্থানের প্রতি কপটে স্বীকার করেছেন গ্রেফতারের পর।

অবসরের বিষয়ে সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া চলছে

পরীমনির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের আভিষেক সরকারের প্রতি অবসর প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয় হয়েছে। সাকলায়েনের প্রতি তদন্ত চালু হয়েছে এবং তাঁর অবস্থানের বিষয়ে কর্ম কমিশনে সুস্পষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে তদন্তের ফলে কোন সামান্য নির্দেশনা হয়নি আসামি হিসেবে ক্লাব সম্পর্কে সাকলায়েনের সম্পর্কে দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে।

সরকারি কর্ম কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়েছে যে সাকলায়েনের বাসায় তাঁর অবস্থানের প্রমাণ পেশ করা হয়েছে। তদন্তের ফলে স্পষ্ট করে দেখা গেছে যে পরীমনি সাকলায়েনের সঙ্গে সুস্পষ্ট যোগাযোগ করছিলেন গ্রেফতারের পর। এটি তদন্তের অংশ হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে কেননা ঘটনাটি চাকরি থেকে অবসর প্রদানের জন্য নির্ধারণ করার জন্য সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন।

পরীমনি ও সাকলায়েনের সম্পর্ক সম্পর্কে তদন্ত চালু হয়েছে তাদের সাক্ষ্য সংগ্রহ করার জন্য। গুলশান বিভাগে অবস্থান করা হয়েছে সাকলায়েনের প্রতি স্পষ্ট তথ্য সংগ

Leave a Comment