দুদকের তল্লাশিতে জিয়াউল আহসানের বাসভবন থেকে পাওয়া গেছে সোনা ও হোয়াইট গোল্ড Bangladailypost.com – জ য় উল র স দ স – আদালতের নির্দেশে রাজধানীর পূর্বাচল
দুদকের তল্লাশিতে জিয়াউল আহসানের বাসভবন থেকে পাওয়া গেছে সোনা ও হোয়াইট গোল্ড
Bangladailypost.com – জ য় উল র স দ স – আদালতের নির্দেশে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকায় অবস্থিত বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের ‘জলসিঁড়ি’ আবাসিক প্রকল্পের ‘জয়িতা’ ভবনের ৮ ও ৯ তলার ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তল্লাশি চালিয়েছে। এই অভিযানে দামি আসবাবপত্র, পোশাক ও নানান ধরনের মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে দুদকের পক্ষ থেকে।
এই সম্পদের মধ্যে একাধিক ‘সাদা স্বর্ণের’ গহনাও পাওয়া গেছে দুদক কর্মকর্তাদের কাছে। তবে সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। সোনা ও হোয়াইট গোল্ড হিসেবে পাওয়া সামগ্রীগুলো আসল কি না, তা যাচাইয়ের পরই সংস্থাটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে। দুদক সূত্র জানিয়েছে, আপাতত মূল্যবান এসব স্বর্ণালংকারের স্থান বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে।
আদালতের আদেশে জব্দ সম্পত্তি
জ্ঞাত অবাধবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতের আদেশে বাসভবনটি জব্দ করা হয়েছিল। গত বছরের ২৪ এপ্রিল ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের ১৮ কোটি টাকার জমি, বাসভবন ও ফ্ল্যাট ক্রোক এবং ৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জাকির হোসেন এ নির্দেশ দেন।
জ্ঞাত অবাধবহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে।
ইনভেন্টরি কাজ চলছে
দুদকের একটি দল সংস্থাটির উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে গতকাল সোমবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে জিয়াউল আহসানের বাসভবনে সম্পদের তালিকা তৈরির কাজ করছে। আজ মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, দুদক কর্মকর্তারা জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির আট ও নবতলার ডুপ্লেক্স ভবনে ইনভেন্টরি কাজ করছে। ওই ভবনেই থাকতেন জিয়াউল আহসান।
ভবনটিতে থাকা আসবাব, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, অলঙ্কার, শোপিস, ব্যবহার্য সামগ্রীসহ বিভিন্ন সম্পদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে ইনভেন্টরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সামগ্রীর সংখ্যা, মূল্য বা প্রকৃতি সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি হচ্ছে না সংস্থাটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, দামি পোশাক ও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র পাওয়া গেছে। সোনা ও হোয়াইট গোল্ড হিসেবে চিহ্নিত কিছু সামগ্রীও রয়েছে। তবে এগুলো প্রকৃতপক্ষে সোনা বা হোয়াইট গোল্ড কি না, তা বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যাচাই শেষ হওয়ার আগে সেগুলোকে মূল্যবান ধাতু হিসেবে চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে না।
দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, ইনভেন্টরির উদ্দেশ্য হচ্ছে আদালতের আদেশে ক্রোক করা সম্পত্তিতে থাকা প্রতিটি জিনিসের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে সম্পদের প্রকৃতি, পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
জানা গেছে, জিয়াউল আহসান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওই প্রকল্পের ১২ নম্বর সেক্টরের ৫০৬ নম্বর স্কয়ারের ১৪ নম্বর প্লটে নিজ বাসভবনের ওই ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে থাকতেন। জিয়াউল আহসান সর্বশেষ টেলিযোগাযোগ নজরদারির জাতীয় সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের ১৫ বছরে আলোচিত ও প্রভাবশালী এ কর্মকর্তাকে সরকার পতনের পরদিন ৬ আগস্ট চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
Related SEO Topics
Frequently Asked Questions
Apa itu জ য় উল র স দ স?
জ য় উল র স দ স adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.
Mengapa জ য় উল র স দ স penting?
জ য় উল র স দ স penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.
Bagaimana cara memakai panduan জ য় উল র স দ স ini?
Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.
