ডা. জাহেদ উর রহমান আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার মূল বিষয়টি উল্লেখ করেন
আ ল গক ন য ড জ – মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাস্তায় নেমেছে এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ছয়টি জেলায়। তবে সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পিছনে কতটুকু যুক্তি রয়েছে সেটা পরিষ্কার করে রাখা দরকার।
নৈতিক সাহসের অভাব প্রকাশ করেন উপদেষ্টা
“লুটপাটকারীদের এবং মাফিয়ার মতো সংগঠনগুলি বেশি কিছু নৈতিক সাহস বা পরিচয় সম্পর্কে কোনো দৃঢ়তা দেখায় না। আওয়ামী লীগের বড় গলা হতে আমাদের সবার স্মৃতিশক্তি শেষ হয়ে যেতে হবে বলে মনে করছি।”
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বর্তমানে যদি কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামে, তবে তা আইন ভঙ্গের কাজ হবে। সুতরাং সরকার ব্যবস্থা নেবার কথা আছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি এখন কোনো কাজ করতে পারে না।
আইন ভঙ্গের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষণা
ডা. জাহেদ উর রহমান আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে আদালত বা আইসিটি ট্রাইব্যুনালের বিচারের পর নির্ধারিত হবে বলে জানান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যে কোনো কাজে যুক্ত ছিল কিনা তা নির্ধারণ হবে এবং আইন ভঙ্গের অধীনে তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে।
“জুলাইয়ে এরকম বন্দুকের সামনে মানুষ দাঁড়াতে পেরেছিল, কারণ তার নৈতিক সাহসটা ছিল। ও ধান্দাবাজ লোক ছিল না, ও দেশকে ভালোবেসেছে এবং এ দেশের ভালো করতে চেয়েছে। এত গুলি, এত মৃত্যুর পর মানুষ পরদিন আবার দাঁড়ায় এটা তাদের নৈতিক সাহসের প্রমাণ।”
উপদেষ্টা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো বড় বিপদের সম্মুখীন হতে পারে এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের কর্মসূচি নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ তাদের কোনো কিছু করতে পারবে না বলে মনে করি।”