নাসির-তামিমার বিয়ে বিতর্কে উচ্চ আদালতে আপিলের ঘোষণা
ব য় ব তর ক ন স – আদালতের নির্দেশে নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মি দুই আসামি খালাস পেয়েছেন। প্রায় পাঁচ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম বুধবার (১০ জুন) বিয়ে সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার অভাবে দুই পক্ষের আসামি বেকসুর মুক্তি পেয়েছেন।
রায় ঘোষণার পর আদালতের প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন কিন্তু দম্পতি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেননি। বিচারকদের অনুরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের নির্ধারিত স্থানে অবস্থান নিতে অনুরোধ করা হয়। পরে তামিমা সুলতানা তাম্মি ও নাসির হোসেন প্রতিবেদনে সাক্ষ্য দেন। আদালত নিরাপত্তা বজায় রাখতে পুলিশের সদস্যরা আদালত প্রবেশপথ সচল রাখেন।
মামলার তদন্ত ও ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়া
রাকিব হোসেন দাবি করেন যে তামিমা সুলতানা তাম্মি ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তালাক প্রদানের পর দ্রুত বিয়ে করেছেন নাসির হোসেনকে। তবে তদন্ত কর্মকর্তা সুমি আক্তার এবং অন্যান্য সাক্ষীরা সৌদি আরব যাওয়ার আগে বা পরে তামিমা বাংলাদেশে কতকালীন থাকার প্রমাণ প্রদান করতে ব্যর্থ হন। এ কারণে বিয়ে বিতর্কের অভিযোগ প্রমাণিত হয় না।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ে ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর মামলা আলোচনায় আসে। ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করেন রাকিব। তদন্তের পর ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেখ মিজানুর রহমান তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি চলতি বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত হয়।
রায়ের আইনি ব্যাখ্যা
আদালত বলেছেন, উচ্চ আদালতের একটি রায়ের পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে তালাকের নোটিশ না পৌঁছানো মানেই তালাক কার্যকর হয়নি—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। অতএব তামিমা সুলতানা যথাযথভাবে তালাক প্রদান করেছিলেন এবং ইসলামি শরিয়ত ও প্রচলিত আইন অনুস