Law Courts

সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগে ভাঙারি ব্যবসায়ী কারাগারে

সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগে ভাঙারি ব্যবসায়ী কারাগারে পাঠানো হয়েছে ১২ জুন, ঢাকা সচ ব লয় থ ক চ র - সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগে

Desk Law Courts
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগে ভাঙারি ব্যবসায়ী কারাগারে পাঠানো হয়েছে

১২ জুন, ঢাকা

সচ ব লয় থ ক চ র – সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগে ঢাকার এক ভাঙারি ব্যবসায়ী মো. মাহাবুব হাসানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত গত শুক্রবার তাকে কারাগারে রাখার আদেশ জারি করেন। তদন্তে পুরাতন ভবন-১, ২ ও ৩-এর ছাদ থেকে সরকারি সম্পদ হিসেবে বিবেচিত প্রায় ১১০ মিটার কপার ক্যাবল চুরি হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। সেই সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। অভিযোগ প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রযুক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে আদালত তদন্ত পরিচালনা করেছে।

তদন্ত প্রক্রিয়া এবং গ্রেফতার ঘটনা

তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর কারিগরি কর্মকর্তা ইনজামুল হোসেন আবেদন জানান যে, রঞ্জন চন্দ্র ও রিজাকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতার কর্মকর্তারা তাদের স্বীকার করেছেন যে চুরি করা তামা সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সংলগ্ন ভাঙারি ব্যবসায়ীর দোকানে বিক্রি করা হয়েছিল। সেই বিক্রি ঘটনার প্রমাণ হিসেবে আদালত সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য ব্যবহার করেছে। আদালত গ্রেফতার করা ব্যক্তিদের পরদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রঞ্জন চন্দ্র এবং রিজাকুল ইসলাম চুরি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। এ সম্পর্কে আদালতের দৃষ্টিতে কপার ক্যাবল চুরি হওয়া ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত সম্পর্ণ করে প্রমাণ গ্রহণ করে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি করা তামা কেনার অভিযোগ গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

বিক্রি প্রক্রিয়া এবং অভিযোগ বিস্তার

বিক্রির প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অভিযোগ প্রাপক বিবরণ অনুসারে, চুরি করা তামা সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সংলগ্ন ভাঙারি দোকানে বিক্রি করা হয়েছিল। সেই দোকানের মালিক সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। আদালতের শেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মো. মাহাবুব হাসানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে আদালত গুরুতর অপরাধের জন্য আসামি করেছেন।

তদন্তের প্রক্রিয়ায় সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগ প্রমাণ পাওয়া যায়। যে কপার ক্যাবল চুরি হয়েছিল সেগুলি পুরাতন ভবন-১, ২ ও ৩-এর ছাদ থেকে বিক্রি করা হয়েছিল বলে স্থাপন করা হয়েছে। চুরি ঘটনার মূল অভিযুক্ত ভাঙারি ব্যবসায়ী ব্যক্তি বিষয়ে আদালত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সচিবালয় থেকে চুরি করা ব্যক্তিদের কারাগারে পাঠানো বিষয়ে তদন্ত প্রসারিত হয়েছে।

“সচিবালয় থেকে চুরি হওয়া তার কেনার অভিযোগে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চুরি করা তামা সরাসরি ঢাকা �

Leave a Comment