Islam

হজের খুতবা ২০২৬ / তাকওয়া অবলম্বনের আহ্বান ও মুসলমানদের ঐক্যের জন্য দোয়া

og_1779796327_6a158967c5bba

হজের খুতবা ২০২৬

Bangladailypost.com – হজ র খ তব ২০২৬ ত কওয় – আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। সব প্রশংসা আল্লাহর বান্দাদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হলো তাকওয়া অবলম্বনের পথে ঐক্য গড়ে তোলার জন্য। এখানে মুসলমানদের বৃহৎ ধর্মীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে তাকওয়ার মাধ্যমে পরকালে মুক্তি অর্জন সম্ভব।

আল্লাহর আজাব ও তাকওয়ার আয়াম

সুরা হজের আরম্ভে আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মানবসকল! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো; নিশ্চয়ই কেয়ামতের ভূকম্পন ভয়ানক। যে দিন তোমরা তা দেখবে, সেদিন প্রত্যেক স্তন্যদাত্রী মা দুগ্ধপোষ্য সন্তানকে ভুলে যাবে এবং প্রত্যেক গর্ভবতী নারী গর্ভপাত হবে।” এই আয়াত দিয়ে মানুষের কাছে তাকওয়া অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাকওয়ার পথ হলো নেক আমল করা এবং সব পাপ ও মন্দ কাজ বর্জনের মাধ্যমে কেয়ামত দিবসে প্রস্তুতি গ্রহণ করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, “তা এই জন্য যে, আল্লাহই সত্য এবং তিনিই মৃতকে জীবিত করেন। আর এজন্য যে, কেয়ামত অবশ্যই আসবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।”

পরকালের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হলো তাওহিদ অনুসারী হওয়া। একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং অন্য কারও ইবাদত না করা হলো আল্লাহর সাক্ষ্য। মানুষ কিভাবে আল্লাহকে ছেড়ে অন্য কিছুর ইবাদত করে, যা কোনো উপকার ও ক্ষতি করতে পারে না, তা অবিশ্যি চরম পথভ্রষ্টতা।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “সে এমন কিছুকে ডাকে যার ক্ষতি তার উপকার অপেক্ষা নিকটতর। কতই না নিকৃষ্ট এই অভিভাবক এবং কতই না নিকৃষ্ট এই সঙ্গী!”

আল্লাহর শক্তি ও পরাক্রম দেখানো হয়েছে এক আয়াতে, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরিক করে, সে যেন আকাশ থেকে আছড়ে পড়ল অথবা বাতাস তাকে নির্জন স্থানে নিক্ষেপ করল।” ইমানদারদের সাক্ষ্য দিতে হবে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসুল।

ইসলামের মূল রোকন

তাওহিদ, নামাজ, জাকাত, রমজান রোয়া এবং হজ হলো ইসলামের পাঁচটি মূল রোকন। আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের রক্ষা করেন; আল্লাহ কোনো বিশ্বাসঘাতক অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না।”

আল্লাহ তাআলা বলেন, “যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার জন্য রয়েছে দুটি জান্নাত।” আর ইরশাদ হয়েছে, “ধৈর্যশীলদের তো তাদের পুরোপুরি পুরুষ পুরুষ দেওয়া হবে বিনা হিসাবে।”

হজের সফর শেষে বিদায়ী তাওয়াফ গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা আপনাদের মনোনীত করেছেন এবং দ্বীনের ব্যাপারে কোনো কঠিন নিয়ম চাপিয়ে দেননি। এটা আপনাদের পিতা ইবরাহিমের মিল্লাত।

আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *