ডেঙ্গু জ্বরে কখন কী টেস্ট করাতে হয়?
ড ঙ গ জ বর কখন ক – বাংলাদেশে বৃষ্টি মৌসুমে ডেঙ্গু রোগের সংখ্যা বেড়ে যায়। চলতি বছর সে সমস্যার পরিসর আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু ছয় হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, মারা গেছে অন্তত ১৮ জন। ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশার কামড়ে।
রোগ বোঝার উপায়
সাধারণত ডেঙ্গু একটি প্রাথমিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে রক্তের পরীক্ষা করা সর্বোপরি গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি বলেন, চারজনের মধ্যে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হতে পারে।
সিডিসি বলছে, এই টেস্টের মাধ্যমে কেউ ডেঙ্গু পজিটিভ কি না সেটি দেখা যায়। ডেঙ্গু ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার শুরুর দিকেই এ পরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি শনাক্ত করা যায়।
লক্ষণ এবং চিকিৎসার প্রয়োজন
তাপ, চুলকানি বা ব্যথার উপসর্গ থাকতে পারে। সাধারণত এই লক্ষণগুলো দুই থেকে সাত দিন পর্যন্ত দেখা যায়। বেশিরভাগ রোগী এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থতার দিকে চলে আসে।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যেতে পারে এবং তখন রক্তক্ষরণসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেন, রোগীর অবস্থা জটিল হলে বা রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা দেলে আরও কিছু টেস্ট করানো দরকার হয়।
টেস্টের ক্ষেত্রে সময়সীমা
রোগী জ্বরের প্রথম দিন থেকে ডেঙ্গু এনএস১ টেস্টের ফল পজিটিভ হওয়ার কথা। চতুর্থ বা পঞ্চম দিনে এটি নেগেটিভ হয়ে যায়। যদি পাঁচদিন পর টেস্ট করা হয়, ফলাফল নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে এটি শরীরে ডেঙ্গু ভাইরাস অস্থায়ী হতে পারে।
ডেঙ্গু এনএস১ এন্টিজেন টেস্ট করাতে পারলে ফলাফল ঠিকঠাক মেলার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে যদি জ্বর আসার পর ৯-১০ দিন পার হয়ে যায়, তখন এই পরীক্ষার ফল শুধু নেগেটিভ দেখাতে পারে।
আইজিএম এবং আইজিজি টেস্ট
আইজিএম পজিটিভ থাকলে বুঝতে হবে বর্তমানে রোগী সংক্রমিত। আইজিজি পজিটিভ হলে সে পূর্বে কোনো সংক্রমণের শিকার হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়া দ্বিতীয়বারের মতো মানে বেশ ঝুঁ