Country

স্বপ্নের জামালপুর এক্সপ্রেস এখন ভোগান্তির কারণ

স্বপ্নের জামালপুর এক্সপ্রেস এখন ভোগান্তির কারণ আশার কারণ হতে আপত্তির সৃষ্টি স বপ ন র জ ম লপ জামালপুর এক্সপ্রেস একটি পরিবেশবান্ধব ও সুবিধাজনক পরিবহন সুবিধা

Desk Country
Published July 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

স্বপ্নের জামালপুর এক্সপ্রেস এখন ভোগান্তির কারণ

আশার কারণ হতে আপত্তির সৃষ্টি

স বপ ন র জ ম লপ জামালপুর এক্সপ্রেস একটি পরিবেশবান্ধব ও সুবিধাজনক পরিবহন সুবিধা হিসেবে গণপ্রতিনিধি হিসেবে চালু হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত নতুন পিটি ইনকা কোচ দ্বারা স্থাপন করা হয়েছিল সময়ের সাথে সাথে স্থানীয় বাসিন্তের জন্য আরামদায়ক যাত্রা। বিশেষ করে পূর্বে ট্রেনটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-সরিষাবাড়ী-জামালপুর রুট থেকে পরিবর্তিত হয়ে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ, জামালপুর ও সরিষাবাড়ী পর্যন্ত চলছে। আসলে সামনে আসা যাত্রীদের জন্য এই পরিবর্তন কিন্তু সামান্য সুবিধা বরং আরো বেশি পরিশ্রম এবং অসুবিধা সৃষ্টি করেছে।

যাত্রা সময়সূচি এবং রাস্তার পরিবর্তন নিয়ে সাধারণ মানুষের বিশেষ আপত্তি হয়েছে। এই সামনে আসা পরিবর্তনের কারণে ট্রেনটি ঢাকা থেকে সকাল ১০টায় ছেড়ে যাওয়া যাত্রা সম্পন্ন করে ভূঞাপুর পর্যন্ত পৌঁছে সাড়ে ৪টার পর স্টেশনে পৌঁছে। পূর্বে ট্রেনটি টাঙ্গাইলে পৌঁছে জামালপুর এক্সপ্রেসের যাত্রা ছিল তার মূল গন্তব্য। এখন সেটি ময়মনসিংহে গুঁতো দেয়ার পর স্থান নিয়ে জামালপুর পর্যন্ত যাত্রা করছে। তবে সময়সূচির কারণে যাত্রীদের পুরো দিনটাই ট্রেনে কাটে। আবার ফেরার পথে রাত ১২টার পরে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়।

পরিবহন অনিশ্চিহ্নতার মুখে পড়েছে

স্থানীয় সমাজের মতে স বপ ন র জ ম লপ জামালপুর এক্সপ্রেস এখন সামান্য সুবিধা হতে আর ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠেছে। ট্রেনে প্রতিদিন প্রবাহিত যাত্রীদের মধ্যে কমপক্ষে ৫০টি কোচ থাকলেও এই পরিবর্তনের কারণে যাত্রীদের একাধিক অপেক্ষা করতে হয়। পরিবর্তিত রুটে ট্রেনটি এক সময় কমপক্ষে তিন ঘণ্টা বেশি সময় নেয়। সে সময়ে যাত্রীদের আরামদায়ক যাত্রা করতে হয়। এছাড়াও আরামদায়ক ট্রেনে অবৈধ যাতায়াতের কারণে স্টেশন সম্পর্কে দ্বিধা বৃদ্ধি পেয়েছে।

যাত্রীদের অভিযোগ অনুযায়ী ট্রেনে কমপক্ষে এক দিনে সাত ঘণ্টা কাটে। এখন জামালপুর এক্সপ্রেস পূর্বের মূল গন্তব্য বর্তমানে ময়মনসিংহের পর পর যাত্রা করছে। সে কারণে যাত্রীদের সূর্যোদয়ের পর পৌঁছায় ভূঞাপুর স্টেশনে পর পর সকালে ফেরার জন্য তাদের রাত ১১টার পরে ঢাকায় পৌঁছতে হয়। এই সময়ে ঢাকা শহরে আবার যাতায়াত করা সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীন হয়ে উঠেছে। এটি সামান্য সুবিধা থেকে আর একটি বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

টিকিট বরাদ্দ ও সময়সূচি বিপর্যয়

স্থানীয় যাত্রীদের আরও একটি মূল অভিযোগ হলো কাছাকাছি স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত আসন না থাকার কারণে বিনা টিকিটে যাতায়াতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে স্থানীয় স্টেশনগুলোতে অনেক সময় প্রতিদিনের বেশি যাত্রীদের জন্য একাধিক কোচ দেয়া হত। কিন্তু এখন সেটি কমিয়ে একটি কোচ কাজে লাগানো হয়। সে কারণে বেশি যাত্রী প্রতিদিনে আসনে অস্থায়ী স্থান নিয়ে বেশি অপেক্ষা করতে হয়। এই সমস্যার কারণে সামান্য অপেক্ষার পর সুবিধাজনক �

Leave a Comment