তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সঙ্গে একীভূত হলেন
য দল য গ দ চ ছ – লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলটির একীভূত হওয়ার প্রস্তাব দেন এবং এই বিষয়টি ঘোষণা করেন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি জানান, তাদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে যার কারণে সংসদ সদস্যদের নতুন দলে যোগ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় ২৮ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০ জন সংসদ সদস্য ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টির সঙ্গে একীভূত হয়েছেন।
বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রস্তাব ও সাংবিধানিক কাঠামো
য দল য গ দ চ ছ ঘোষণার পরে পূর্বে বিদ্রোহী এমপিদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সাগরিকা ঘোষ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি প্রেরণ করেন। এই চিঠিতে প্রস্তাবটি আইনি ভাবে কার্যকর করা হবে এবং তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর নতুন দলটি স্বীকৃতি পেয়েছে বলে জানানো হয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদার একটি ভাবপ্রবাহে বলেন যে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি হল তাদের নতুন দল, যা ভারতের সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী প্রকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত হতে পারে।
বিদ্রোহী গোষ্ঠীর এই পদক্ষেপ দ্বারা তৃণমূল কংগ্রেস দলের স্থায়ী অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হতে পারে। স্পিকার ওম বিড়লার বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের পুনর্গঠন প্রস্তাব গ্রহণের পর বর্তমান দলটি একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা সম্পন্ন দল হিসেবে পরিচিত হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সদস্যদের কিছু অংশ স্পিকার কর্তৃক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে যার ফলে দলটি বিভক্ত হয়েছে।
আমরা এনডিএ দলের সদস্য হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কাজ করবো। আইন কোনো রাজনৈতিক দলের বিভক্তিকে বৈধ ঘটনা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। স্পিকার রাজনৈতিক দলকে স্বীকৃতি দেন, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে নয়। যদি একাধিক পক্ষ নিজেদের প্রকৃত রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে, তবে স্পিকারকে প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করতে হয় কোন পক্ষটি প্রকৃত দল।
স্পিকারের প্রতিক্রিয়া ও আইনি প্রক্রিয়া
য দল য গ দ চ ছ বিষয়টি আইনি কাঠামোতে স্পিকার ওম বিড়লার প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন। তিনি সংসদে নতুন দলের প্রতিষ্ঠা করতে পারেন যখন তারা স্বীকৃতি দেওয়া পর্যন্ত স্বাধীন সংসদ সদস্যদের পুনর্গঠন করতে পারেন। যার ফলে নতুন দল কর্তৃক বর্ষাকালীন অধিবেশনে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং এখন তৃণমূল কংগ্রেস দলটি পুনর্গঠিত হয়েছে।
য দল য গ দ চ ছ ঘোষণা পর স্পিকার কর্তৃক সংসদ সদস্যদের ক্ষমতার বিভাজন সম্পর্কে নীতি সংশোধন করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া দ্বারা দলের বিভক্ত অংশ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং তৃণমূল কংগ্রেস দলটি আরও আলাদা দল হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক বিশ্বাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে এবং ভারতের সংসদে