যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে বিশ্বজুড়ে স্বস্তি আসছে
য ক তর ষ ট র ইর – বিশ্বের নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও শান্তিচুক্তির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই চুক্তি দ্বারা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘকাল চলা সংঘাতের প্রাথমিক অবসান ঘটেছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলো এই সফল আলোচনার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের ভূমিকাকে গভীর প্রশংসা করেছেন।
চুক্তির প্রক্রিয়া ও ক্ষেত্রে আলোচনা
১৪ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা দেন যে ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দ্বারা চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধ হবে, মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হবে। আগামী শুক্রবার (১৯ জুন) সুইজারল্যান্ডে এই সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
“এই চুক্তি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।” জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস
গুতেরেস বলেন, উন্মুক্ত হরমুজ প্রণালী এবং তাত্ক্ষণিক যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তের জন্য ওয়াশিংটন ও তেহরানকে অভিনন্দন জানান। তিনি তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর এবং কাতারের মধ্যস্থতার গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
“এই চুক্তি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ পূর্বে চুক্তির খবর প্রকাশ করেছিলেন। এই প্রচেষ্টার জন্য পাকিস্তানের সহযোগিতা জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। কাতার ও সৌদি আরবের কূটনৈতিক সমর্থন চুক্তি অর্জনে মাঠপর্যায়ের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করেছিল।
বাণিজ্য ও আর্থিক সংকট ক্ষমতায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্বের বৃহত্তর দেশগুলো
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই চুক্তিকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক মিশনের সহযোগিতায় দ্রুত উন্মুক্ত করা জরুরি।
“আন্তর্জাতিক মিশনের সহযোগিতায় হরমুজ প্রণালী দ্রুত উন্মুক্ত করা জরুরি।” ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
ই৪ জোট (যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি) বলেন, ইরান যদি পরমাণু �