ভারতে বিদেশি অর্থায়ন পাওয়া এনজিওগুলোর ওপর কড়াকড়ি বাড়িয়েছেন সরকার
ব দ শ অর থ য়ন প – ভারত সরকার বেসরকারি সংস্থাগুলোর বিদেশি অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণ কঠোর করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অর্থ ব্যয়ের পদ্ধতি, কাজের স্থান এবং ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়মিত ঘোষণা করতে হবে। সরকার প্রতিবেদনে এনজিওগুলোকে ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য করেছে। প্রতি বছর তাদের অর্থ ব্যবহার, প্রকল্পের বিবরণ এবং কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে।
বিদেশি অর্থ গ্রহণের অনুমতি স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে
নতুন বিধিতে এফসিআরএ নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী সংস্থাগুলোকে কার্যক্রমের ধরন নির্দিষ্ট করে জানাতে হবে। সেই তালিকা থেকে তাদের কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে। এই সপ্তাহে সরকার এফসিআরএ আইনের সংশোধন করেছে। আইনে প্রশাসনিক ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ২০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিদেশি অর্থায়ন পাওয়া সংস্থাগুলোর ওপর নজরদারি আরও বাড়ছে
ভারতের সরকার গত কয়েক বছরে ধাপে ধাপে এফসিআরএ আইনকে সংশোধন করেছে। ২০২০ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মাধ্যমে এক এনজিও থেকে অন্য এনজিওতে বিদেশি অর্থ স্থানান্তর নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া এনজিওগুলোকে নিয়মিত কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
সমালোচকদের মতামত
সরকার বিদেশি অর্থায়ন পাওয়া সংগঠনগুলোর ওপর ক্রমেই বেশি নজরদারি ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে, যার ফলে এসব সংস্থার পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।
জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত সংস্থাগুলো বাতিল করা হয়েছে
মোদী সরকার ২০১৪ সালের পর থেকে হাজার হাজার এনজিওর বিদেশি অর্থ গ্রহণের অনুমতি স্থগিত বা বাতিল করেছে। সরকারের অভিযোগ, কিছু সংস্থা বিদেশি অর্থ ব্যবহার করে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। নতুন নিয়মে সংস্থাগুলোর প্রধান দায়িত্বশীল পদে বিদেশি নাগরিক থাকলে তারা বিদেশি অর্থ গ্রহণের যোগ্য হবে না।
আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব
বিদেশি অর্থায়ন পাওয়া সংস্থাগুলোর ওপর নজরদারি আরও বাড়তে নতুন একটি বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। এতে তথ্য প্রকাশ ও জবাবদিহির পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রস্তাব রাখা হয