জঙ্গল থেকে উদ্ধার: মোগলি কন্যার প্রথম পদক্ষিপ্ত সন্ধান
জঙ গল থ ক উদ ধ র – জঙ্গল থেকে উদ্ধার সেই ‘মোগলি কন্যা’ আর নেই! লখনউয়ের ড. রাম মনোহর লোহিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় দশ বছর পর এহসাস সমাপ্তি ঘটে যায়। তার মৃত্যুর প্রধান কারণ হল ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণ থেকে জন্মগ্রহণ করে রক্তে সংক্রমণের জটিলতা। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে জঙ্গল থেকে উদ্ধার সেই মোগলি কন্যা আর সুস্থ হবে না।
বিশ্বাস ও ভাবনা: জঙ্গলে থাকার দিনগুলো
২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বাহরাইচের কাতারনিয়াঘাট বনাঞ্চলে তার প্রথম সন্ধান পাওয়া গেছিল। তখন এহসাসের আচরণ ছিল বন্য প্রাণীর মতো। তিনি মানুষের সামাজিক জীবন থেকে সম্পূর্ণ যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়ার পর থেকে তার জীবনে ধীরে ধীরে পরিবর্তন ঘটেছিল।
নাম পরিবর্তন: স্বাগত লখনউয়ের সমাজে
তাকে বাহরাইচ শিশু কল্যাণ কমিটি প্রথমে ‘পূজা’ নাম দেয়। কিন্তু তার আসল নাম ছিল এহসাস। সেখানে থেকে তার স্থানান্তর করা হয় লখনউয়ের মোহন রোডের নির্বান সরকারি বিশেষায়িত শিশু নিবাসে। এখানে তিনি আবার জঙ্গল থেকে উদ্ধার সেই মোগলি কন্যার সামাজিক জীবনের প্রথম প্রমাণ পেয়েছিলেন।
চিকিৎসকদের মতে, এহসাসের মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ বিকশিত হয়নি। তার মানসিক প্রতিবন্ধকতা এবং মৃগীরোগে ভুগতে হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় বিশেষ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ফলে তার স্বাভাবিক জীবনের প্রতি সামান্য হাতে সামাজিক বিষয়গুলো মানতে শুরু করেছিল।
তিনি এহসাসকে ‘আম্মা’ বলে ডাকত। তার অনুভূতি ছিল আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম সে অবিশ্বাস্য উন্নতি করবে। কিন্তু এখন শুধু তার স্মৃতি আমাদের মাঝে রয়ে গেছে।
বিশ্বাসের বন্ধন ও জীবনের পরিবর্তন
এহসাসের জীবনে জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়ার পর সামাজিক বিষয়গুলোর সাথে যুক্ত হওয়া প্রক্রিয়া অত্যন্ত দীর্ঘ সময় নিয়েছিল। তার মানসিক ও শারীরিক অবস্থা জানা হল যে তিনি পূর্বে মোগলি কন্যার জীবনে কোনও শোক ছিল না। তিনি প্রকৃতি থেকে সরাসরি সম্পর্ক বিস্তার করেছিলেন। কিন্তু মানুষের সমাজে ফিরে আসার পর তার জীবন সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়েছিল।
জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল তাকে প্রথম পদক্ষিপ্ত করে। তিনি আসলে মোগলি কন্যার মতো আচরণ করেছিলেন। কিন্তু তার শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিগুলো এখনও দ�