Football

লড়াইয়ের ময়দান / মার্সিডিজ বেন্‌জ স্টেডিয়াম: আট পাখার ছাদ, বিশাল ভিডিও বোর্ড

আটলান্টা শহরের মার্সিডিজ-বেন্‌জ স্টেডিয়াম: আধুনিক ক্রীড়া মঞ্চের সম্প্রতি সৃষ্টি লড় ইয় র ময়দ ন ম র - মার্সিডিজ-বেন্‌জ স্টেডিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া

Desk Football
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

আটলান্টা শহরের মার্সিডিজ-বেন্‌জ স্টেডিয়াম: আধুনিক ক্রীড়া মঞ্চের সম্প্রতি সৃষ্টি

লড় ইয় র ময়দ ন ম র – মার্সিডিজ-বেন্‌জ স্টেডিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যের আটলান্টায় অবস্থিত একটি প্রতিষ্ঠিত ক্রীড়া ভেন্যু। এটি স্বচ্ছ পলিমার ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল পুরোনো জর্জিয়া ডোমের পরিবর্তে এবং প্রতিষ্ঠান ডাকট্রনিকস কর্তৃক নির্মিত। এই স্টেডিয়াম আমেরিকান ফুটবল, সকার এবং বিশ্বের বড় বড় ক্রীড়া আয়োজনের জন্য প্রাসাদ হিসেবে গণ্য।

বিশাল ভিডিও বোর্ড এবং আরও বিশেষ বৈশিষ্ট্য

স্টেডিয়ামে আটটি স্বচ্ছ ত্রিভুজাকার প্যানেল দ্বারা গঠিত রেট্রাক্টেবল ছাদ একটি বিশেষ আকর্ষণ। এই ছাদের প্রতিটি প্যানেল দুটি সমান্তরাল রেলের ওপর বিস্তারিত হয় এবং খোলার শুরুতে সিল আলাদা করতে হয়। পুরো ছাদ খুলে গেলে খালি ডানা মেলার মতো দৃশ্য তৈরি হয়। স্টেডিয়ামের নকশা উদ্ভাবন করেছিলেন স্থপতি বিল জনসন যার মাঝখানের গোলাকার অংশের ধারণা রোমের প্যানথিয়ন থেকে গ্রহণ করা হয়েছিল।

এই ছাদের নিচে বিশাল রিং আকৃতির ভিডিও বোর্ড অবস্থিত। এর আয়তন ৫৮ ফুট ×১১০০ ফুট বা প্রায় ১৮ ×৩৩৫ মিটার। এটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে এনএফএলের তৎকালীন সবচেয়ে বড় ভিডিও বোর্ডের তিন গুণ বেশি।

এছাড়া স্টেডিয়ামে মোট বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বাইরের বড় অংশ কাঁচ এবং স্বচ্ছ পলিমার দ্বারা তৈরি হয়েছে যাতে আটলান্টা শহরের দৃশ্য অপরিহার্য ভাবে দেখা যায়। কাঁচের রাস্তা ও বৃষ্টিতে নিরাপদ রাখার জন্য মাঠে বিশেষ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।

ক্রীড়া আয়োজনের ইতিহাস

স্টেডিয়ামটি প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালে ১৬০ কোটি মার্কিন ডলারে নির্মিত হয়। ২০১৭ সালের ২৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকে সুপার বোল, কলেজ ফুটবলের বড় ফাইনাল এবং মেজর লিগ সকারের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপেও এখানে একাধিক ম্যাচ আয়োজন করা হবে।

মাঠের বিশেষ সুবিধা এবং বাইরের আবহাওয়া সহনশীলতা

স্টেডিয়ামে দুটি বড় ড্রেসিংরুম রয়েছে যেখানে একসঙ্গে ১০০ জন খেলোয়াড় থাকতে পারেন। মাঠে ওঠার জন্য গ্যালারি থেকে সরাসরি সিঁড়ি না থাকায় ব্যান্ড দলের মাঠে প্রবেশে সমস্যা হতো। বিশেষ করে কলেজ ফুটবলের জন্য আলাদা সুবিধা রয়েছে যেখানে নিচের আসন সরিয়ে মাঠ বড় করা সম্ভব। মাঠের স্থান ও প্রায় ৪২ হাজার করে হ্রাস করা যায় যান্ত্রিক পর্দা ব্যবহার করে।

আকর্ষণীয় শিল্পকর্ম

এই স্টেডিয়ামের ভেতর ও বাইরে রয়েছে ১৮০টির বেশি শিল্পকর্ম। সবচেয়ে বিখ্যাত গাবর মিকলোস সোকের স্টেইনলেস স্টিলে তৈরি করা হয়েছে ‘দ্য আটলান্টা ফ্যালকন’ ভাস্কর্য। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বাধীনভাবে দাঁড়ানো পাখির ভাস্�

Leave a Comment