এস ত দ ও আজত ক: বিশ্বকাপের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান
এস ত দ ও আজত ক যেখানে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন পেলে ও ম্যারাডোনা, মেক্সিকো সিটির দক্ষিণে অবস্থিত স্টেডিয়ামটি বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের একটি অপরিসংখ্যান অধ্যায় হিসেবে পরিচিত। এই স্থান নির্মিত হয়েছিল আলোকপাত করে একাধিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মুখ্য বৈঠক স্থান হিসেবে কিন্তু এস ত দ ও আজত ক এর সম্পূর্ণ ইতিহাস নিয়ে এটি বিশ্বকাপের স্মৃতি তৈরি করেছে।
বিশ্বকাপের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত হয়েছিল
১৯৭০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে এস ত দ ও আজত ক ব্রাজিল ও ইতালির মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ আয়োজন করে। প্রথম সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডে দিয়েগো ম্যারাডোনা গোল অব দ্য সেঞ্চুরি করেন, যেটি স্টেডিয়ামটির গুরুত্ব বৃদ্ধি করে। আর এস ত দ ও আজত ক এর মধ্যে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজিত হয়েছে যেখানে এটি সর্বাপেক্ষা বৃহত্তম আলোকপাত করেছিল।
এস ত দ ও আজত ক বিশ্বের একমাত্র স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত যেখানে তিন পৃথক ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল।
স্থানীয় চার জন সাংগীতিক অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক সমার্থনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
১৯৬৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ফুটবল টুর্নামেন্টে এস ত দ ও আজত ক প্রধান স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। স্টেডিয়ামটি ১৯৬৬ সালের ৫ জুন উদ্বোধন করা হয়। আগের প্রথম রাতের ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়া সিএফ ও নেকাক্সার প্রতিযোগিতায় আলোকপাত করে গোল করেন হোসে কার্দোনা এবং রবার্তো মার্তিনেজ।
স্টেডিয়ামটি কোপা ইন্টারআমেরিকানার ফাইনাল আয়োজন করেছিল প্রথমবার ১৯৭৮ সালে যেখানে আমেরিকা বোকা জুনিয়র্সকে হারায়। এস ত দ ও আজত ক এর উপর রাজনৈতিক বৈঠক ও সংগীত অনুষ্ঠানের বিশাল সংখ্যক ঘটনা বিস্তার করেছিল।
স্টেডিয়ামের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব
এস ত দ ও আজত ক সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এবং ধারণক্ষমতা ৮৭,৫২৩ দর্শক। এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ভেন্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। স্টেডিয়ামটি প্রথম রাতে ম্যাচে আগামী দর্শকদের কাছে একটি অপরিসংখ্যান অভিজ্ঞতা প্রদান করেছিল।
সংগীত ও রাজনৈতিক ঘটনার জন্য এস ত দ ও আজত ক একটি অনন্য স্থান হিসেবে কাজ করেছিল। এর সম্পূর্ণ ইতিহাস সম্পন্ন হয়েছে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের মাধ্যমে, যেখানে বিশ্বকাপের অনুষ্ঠান স্থান পায়।