বাংলাদেশ দলে যোগ হচ্ছেন ইংল্যান্ডে খেলা আরও দুই ফুটবলার!
ব ল দ শ দল য গ – বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখন প্রবাসী খেলোয়াড়দের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে, যারা দেশের ফুটবলে নতুন সংস্কার আনতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে কয়েক মাস আগে অনূর্ধ্ব-২০ দলে সামিত সোম এবং ফাহমিদুল ইসলাম যোগ দেন এবং তারা বাংলাদেশের ফুটবল জাগানোর জন্য কাজ করছেন। এবার ফাহাদ করিম সহ-সভাপতি বাফুফে দুই প্রবাসী খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করেছেন যারা বাংলাদেশের জন্য খেলার সম্মতি জানিয়েছেন।
ইংল্যান্ডে খেলা ফারহান আলি ওয়াহিদ এবং রায়ান আলি ওয়াহিদ দুই ভাই নতুন করে বাংলাদেশের ফুটবলে যোগ দিচ্ছেন। ফারহান খেলছেন ফুলহ্যাম দলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ-২ এ। তিনি মে মাসে সেরা প্রিমিয়ার লিগ-২ খেলোয়াড় হিসেবে চয়নিত হয়েছিলেন। তার ছোট ভাই রায়ান ওকিং এফসির হয়ে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। দুই ভাইয়ের জন্য বাফুফে তাদের প্রতিভা ও প্রকৃতি দেখেছে যে তাদের বাংলাদেশে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফাহাদ করিম বলেন, ‘ঘটনার শুরুটা গত মাসে হয় অ্যাডাম রবার্টস নামে একজন ফুটবল এজেন্টের কাছে। সে দুই ওয়াহিদ ভাইয়ের এজেন্ট। তিনি যুক্তরাজ্যের একটি কোম্পানির হয়ে কাজ করেন। আমাদের ফেডারেশনের অফিসিয়াল ইমেইল দিয়ে তিনি আমাদের কাছে বলেন যে ফারহানকে রিপ্রেজেন্ট করছেন এবং তিনি বাংলাদেশের জন্য কথা বলতে চান। সেখানে থাকতেই আমি ছোট ভাইয়ের প্রতিভা দেখেছি এবং তাদের বাবা-মায়ের অনুমতি নিতে চাই।’
ফাহাদ করিম বলেন, তারা যোগ দেন নিয়মিত আলোচনার পর। প্রাথমিক কাজ চালিয়ে যাওয়ার পর আশা করছেন ঈদের পর পাসপোর্ট ও সকল ডকুমেন্ট তৈরি হবে। জুলাইয়ের শুরুতে দুই খেলোয়াড় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।
ফারহান আলি ওয়াহিদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য
ফারহান আলি ওয়াহিদ এখন ফুলহ্যাম দলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ-২ এ খেলছেন। সেখানে তিনি কয়েকবার প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ নমিনেশন পেয়েছিলেন এবং নভেম্বরে প্লেয়ার অফ দ্য সিজনের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তার ক্যারিয়ার আরও কয়েক বছর দীর্ঘ হতে পারে। তিনি চেলসির যুব একাডেমি থেকে শুরু করেছেন তার ফুটবল যাত্রা। অনূর্ধ্ব-২১ লিগে নিয়মিত খেলছেন তিনি।
ফারহান একজন ডান পায়ে খেলা উইঙ্গার। গোল ও অ্যাসিস্ট করতে দারুণ ক্ষমতা রয়েছে তার কাছে। বাফুফে তার সংযোজন দেশের ফুটবলের সিনিয়র ন্যাশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
ফাহাদ করিম বলেন, ‘মিটিংয়ের পর আমাদের সঙ্গে আব্দুল ভাই অর্থাৎ তাদের বাবা একমত হন যে হ্যাঁ, তিনি ছেলেদের সম্মতি দিচ্ছেন বাংলাদেশের পক্ষে খেলার জন্য। লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তাদের মুখোমুখি করতে �