Feature

তরুণদের রক্তদান যেসব কারণে ভীষণ জরুরি

তরুণদের রক্তদান যেসব কারণে ভীষণ জরুরি তর ণদ র রক তদ ন য - দেশে সড়ক দুর্ঘটনা, গুরুতর অস্ত্রোপচার ও ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ

Desk Feature
Published June 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
young-blood-donar-jagonews-mqckdfvhgsqbjww-20260613223008
Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

তরুণদের রক্তদান যেসব কারণে ভীষণ জরুরি

Bangladailypost.com – তর ণদ র রক তদ ন য – দেশে সড়ক দুর্ঘটনা, গুরুতর অস্ত্রোপচার ও ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ ইউনিট রক্ত চাওয়া হয়। এই চাহিদা দেশের বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় নগণ্য, কিন্তু বাস্তবে এটি পূরণে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্ত দানের ঘাটতি দেখা যায়। তরুণ বয়সের লোকেরা সাধারণত সুস্থ ও কর্মক্ষম হওয়ার কারণে রক্তদানের সর্বাধিক উপযুক্ত গোষ্ঠী। তাদের প্রতিদিন রক্ত দানে অংশগ্রহণ করলে জাতীয় রক্ত চাহিদা সম্পূর্ণ পূরণ হতে পারে।

স্বাস্থ্য গুণান্বিত সংস্কৃতির গুরুত্ব

রক্তদান ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক সুবিধা অনেক ক্ষেত্রে তরুণদের জীবন প্রাণ হারিয়ে দেয়। দেহের রক্তচাপ, নাড়ি, তাপমাত্রা ও হিমোগ্লোবিনের পরীক্ষা করে রক্তদানের সময় দাতার স্বাস্থ্য বিষয়ে ধারণা জন্মায়। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে যে তরুণরা নিয়মিত রক্ত দিলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য লিখেছেন, ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’।

আধুনিক রক্তব্যাংকে এক ব্যাগ রক্ত থেকে বিভিন্ন উপাদান গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়। যেমন, প্লাটিলেট কনসেন্ট্রেট বা রেড সেল কনসেন্ট্রেট এমন উপাদান যে এক ব্যাগ থেকে একাধিক মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা বলেছেন যে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্ত দানের ভিত্তি হলো রক্তের স্থায়ী যোগান। তাই ছাত্র ছাত্রীদের জন্য উপলক্ষে এই কাজে অংশগ্রহণ করা জরুরি।

মানবিক সংস্কৃতি গড়ার উপায়

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে রক্তদানের প্রকৃতি জীবন রক্ষার সমান। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি একজন মানুষের জীবন রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতির জীবন রক্ষা করল’ (সূরা মায়েদা: ৩২)। বিশেষ করে বাইবেলে এমন কাজ পুণ্যের মূল্যবান বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি সৎকাজ করতে জানে, অথচ তা করে না, তার জন্য তা পাপ’ (যাকোব ৪:১৭)। ঋগবেদে বর্ণিত হয়েছে নিঃস্বার্থ দান আশীর্বাদ ও কল্যাণ বয়ে আনে।

তরুণ যখন রক্ত দিতে প্রবৃত্ত হন, তখন তাঁদের প্রতি কর্মক্ষম জীবন ও মানবিক মর্যাদা গড়ে উঠেছে। এই অনুপ্রেরণার ফলে পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের প্রতি নিয়মিত উৎসাহ জন্মায়। এ কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের সংস্কৃতি গঠনে সাহায্য করে।

রক্তদানে ভয় ও সমাধান

অনেকে রক্তদানের সামান্য ব্যথার ভয়ে বিপন্ন হন। কিন্তু পরীক্ষায় দেখা গেছে রক্তের পরিমাণ দেহে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যায়। বছরে তিনবার রক্ত দিলে দেহের লোহিত কণিকা নবায়নে সহায়তা করে এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সুস্থ জীবনযাপন, মাদক দূর করা, নিয়মিত �

Leave a Comment