১৭ হাজার ব্যাগ রক্তদানের মাইলফলকে ‘রক্তের বন্ধন’
জামালপুরের স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা গঠিত সংগঠন
১৭ হ জ র ব য গ – রক্ত মানবদেহের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ সজীব ও সক্রিয় থাকে। কিন্তু রক্তশূন্যতা দেখা দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। সড়ক দুর্ঘটনা, অপারেশন এবং রোগের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রক্তের প্রয়োজন সবসময় থাকে। রক্তের বন্ধন জামালপুর এমন একটি সংগঠন যা জীবন বাঁচানোর জন্য অসংখ্য মানুষের প্রয়োজন পূরণ করছে।
রক্তের বন্ধন জামালপুর সরকারি আশিক মাহমুদ কলেজ থেকে ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে। কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রেরণ করে এই সংগঠন রক্তদানের উদ্দেশ্যে গঠিত হয়। ক্রমে ক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ব্যাগেরও বেশি রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
“আমরা প্রতি বছর গড়ে প্রায় এক হাজার ব্যাগ রক্ত দান করি। গত বছরও এক হাজার ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।” – আসমাউল আসিফ
আসমাউল আসিফ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। তিনি সংগঠনটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি রক্তদাতা সংগ্রহ করে গৃহীত মেয়াদে কাজ করছে।
সংগঠনটি দুই প্রকারে রক্তদান সংগ্রহ করে। একটি অফলাইন পদ্ধতি এবং অন্যটি অনলাইন। সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মাধ্যমে রক্তের অনুরোধ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে আশেক মাহমুদ কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ক্লাসে রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন ঘোষণা করে। যদি কেউ আগ্রহী থাকে তাহলে স্বেচ্ছায় রক্ত দান করতে পারেন।
আসমাউল আসিফ জামালপুর জেলায় কাজ করে এবং সেখান থেকে রক্ত সংগ্রহ করে। কিন্তু এটি একটি মানবিক কাজ এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন সময় দেশের যে কোনো জায়গায় রক্তের দরকার হলে তারা সাড়া দেয়। তবে সরকারি অনুদান পেতে সমস্যা আছে।
সংগঠনটি একটি স্লোগান ব্যবহার করে। ‘আপনার এক ব্যাগ রক্তদান, বাঁচাতে পারে মুমূর্ষু রোগীর প্রাণ’। পরবর্তীতে আরও একটি স্লোগান যুক্ত করা হয়। ‘আপনার জন্মদিনটি রক্তদান করে পালন করুন’। সাধারণত রক্তদান স্লোগানের কারণে এখন অনেকে তাদের জন্মদিন রক্তদান করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে।
আসমাউল আসিফ এছাড়া বিশেষ রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে কথা বলেন। নেগেটিভ রক্তের গ্রুপধারী রক্তদাতার সংখ্যা খুব কম। যদিও নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে রোগীর সংখ্যা অল্প। কিন্তু হঠাৎ ক