রাফাত মজুমদারের নতুন নাটক ‘ঝরা বকুল’
বড় ম য় র আত মত য – নির্মাতা রিংকু রচিত নাটকটি প্রকাশের পর দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। গল্পের মূল উপাদানগুলি পরিবারিক সম্পর্ক ও আত্মত্যাগের উপর ভিত্তি করে গঠিত। চরিত্রসমূহের কথা বললে সুনেরাহ বিন অভিনয় করা মনিরা চরিত্রটি আলোচনার মূল হিসেবে চলছে।
মনিরা হলো একটি দরিদ্র পরিবারের বড় মেয়ে। তার দায়িত্ব সংসারের জন্য ছোট ভাইবোনদের সাথে মিশে গেছে। নিজের বিয়ে তার হাত থেকে বাঁচতে পারেনি পরিবারের আবেগী চাপের কারণে। মাকে বিয়ে দিতে অনাগ্রহী হওয়ার কারণ হলো তার চলে যাওয়ার পর সংসারের কাজ কে করবে এই ভয়।
সুনেরাহকে প্রশংসা মিশ্র প্রতিক্রিয়া আনছে
নাটকে কবির চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান। তিনি মনিরাকে ভালোবাসেন। দুই চরিত্রের মধ্যে বিবাদ ও সম্পর্কের সংঘাত নাটকটির প্রবাহ চালিয়েছে। একজন দর্শক লিখেছেন, “জানিনা মানুষ সুনেরাহকে নিয়ে এত খারাপ মন্তব্য কেন করে। ওর কণ্ঠ, ওর চেহারা সবই অন্য রকম। আর কেন জানি সব ধরনের চরিত্রে মানিয়ে যায়।”
প্রযোজক জামাল হোসেনের মত
প্রযোজক জামাল হোসেন ঘোষণা করেছেন, বর্তমানে দর্শকরা বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজছেন। তাই পরিবারিক গল্পের সাথে যুক্ত নাটকগুলি তারা বেশি আগ্রহী। এই ভাবেই ‘ঝরা বকুল’ তাদের কাছে সহজে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে।
নাটকে অন্যান্য অভিনেত্রীরা
নাটকে অংশ নিয়েছেন ডলি জহুর, রোজী সিদ্দিকী ও গোলাম ফরিদা ছন্দা। নির্মাতা রিংকু বলেন, তিনি সবসময় বাস্তব পরিবারিক গল্পে নিজের প্রয়োজনীয়তা স্থাপন করেন। দর্শকদের নিজেদের জীবনের প্রতিচ্ছবি পর্দায় খুঁজে পাওয়া মানে গল্পের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।