বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধায় বছরে ঘাটতি বৃদ্ধি
ব সরক র শ ক ষক কর – বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধার জন্য প্রতি বছর দীর্ঘ সময়ের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এই সমস্যার কারণে বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়া ঘুরে দাঁরি হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এই সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আন মোহাম্মদ এহছানুল হক মিলন বলেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধার জন্য বছরে প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এই ঘাটতির কারণ হল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংকট।
বেসরকারি শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট কি?
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা দিতে সরকার কল্যাণ ট্রাস্ট ব্যবহার করছেন। এই ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। কিন্তু অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রতি বছর প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা খরচ হয়। ফলে প্রতিবছর একটি বিশাল ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিক্রিয়া ছাড়া থাকছে। সরকার এই সমস্যার সমাধান খুঁজছে এবং নতুন অর্থ সংস্থানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছেন।
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধার জন্য বছরে প্রয়োজনীয় অর্থ আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ায় ট্রাস্টের মুনাফা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। মন্ত্রী জানান, বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে আবেদন দায়েরের পরিমাণ বেড়ে চলছে। বর্তমানে প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন কর্মসূচি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই আবেদনগুলো পরিশোধ করতে প্রায় তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থ সংকট প্রতিবছর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই সমস্যা চিন্তার মাঝে রয়েছে।
প্রতিবছর বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরাসরি ব্যাংক হিসাবে প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা দিতে প্রায় ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বর্তমানে প্রদান করা হয়েছে। সরকার আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চলছে, যাতে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধার অপেক্ষা কম হয়।
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধার জন্য বছরে ক্রমাগত ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই সমস্যার কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুবিধা প্রদানে বিলম্ব হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, বছরে আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় অর