Economy

হালাল পণ্যের চাহিদা ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশের রপ্তানি ৮৫০ মিলিয়ন

হালাল ফর এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন কর্মশালায় মূল্যবান তথ্য প্রকাশ হ ল ল পণ য র চ - ১৮ জুলাই শনিবার বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) উদ্যোগে সংগঠনের

Desk Economy
Published July 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হালাল ফর এক্সপোর্ট ডাইভারসিফিকেশন কর্মশালায় মূল্যবান তথ্য প্রকাশ

হ ল ল পণ য র চ – ১৮ জুলাই শনিবার বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) উদ্যোগে সংগঠনের বোর্ড রুমে আয়োজিত কর্মশালায় হালাল পণ্যের বাজার বিস্তার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানি কর্মসংস্থানের প্রতিটি খাত কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু প্রতিটি আয়ের জন্য ব্যবসার অর্থনীতি সম্পর্কে যথেষ্ট আস্থা নেই।

কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। তিনি ঘোষণা করেন, সরকার হালাল পণ্য বিকাশের জন্য বছরের বাজেটে কতিপয় খাতকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। তা একটি বড় উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

আইইউবিএটি বিজনেস স্কুলের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মোমিনুল ইসলাম তার মূল প্রবন্ধে বলেন, বিশ্বে হালাল পণ্যের সম্ভাবনা বিস্তৃত। ২০২৫ সালে এ খাতে বৈশ্বিক চাহিদা ছিল ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এর দ্বারা বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ তৈরি হতে পারে।

“বর্তমানে বাংলাদেশ হালাল পণ্য রপ্তানি খাতে বিশ্বের সর্বোচ্চ দ্বিতীয় দেশ। সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালে এ খাত থেকে ৯.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্যবান রপ্তানি আয় সাধন করা।”

বিএমসিসিআই প্রাক্তন সভাপতি শাব্বির এ. খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. দীন ইসলাম সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ঘটে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক প্রায় ৯১ শতাংশ মুসলিম। এ বিশ্বাস ব্যবসায়ীদের হালাল পণ্যের ওপর ঝুকছে।

আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ উল্লেখ করেন, এ দেশের বিশ্ব বাজারে হালাল পণ্যের চাহিদা এখন মাত্র ২০ শতাংশ বিদ্যমান। তবে হালাল পণ্য খাত বাংলাদেশের আরও উন্নয়নের সুযোগ গুলি প্রচুর রয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বের তৃতীয় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি হালাল ব্র্যান্ডিং বিকাশের প্রয়োজন হবে।

অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম, অ্যাসোসিয়েশন অব টেস্টিং ল্যাবের সভাপতি মো. আহাশান হাবিব, বিসিআই পরিচালক জিয়া হায়দার মিঠু এবং বেঙ্গল মিটের হেড অব এক্সপোর্ট এ কে এম সায়াদুল হক। কর্মশালা থেকে বাংলাদেশের হালাল পণ্য বিকাশের জন্য কিছু সুপারিশ উঠে আসে। এগুলো হলো-

Leave a Comment