‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ
ওয় ন স ট জ ন ওয় – ওয়ান সিটিজেন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়ে সরকার আরও কঠোর ধাপগুলো অব্যাহত রেখেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেন যে দেশে ডিজিটাল অর্থনীতি ও সমন্বিত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা অনুসরণ করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক সরকারি ও বেসরকারি সেবাগুলো সহজে আরও সম্পূর্ণ ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে পাবে। ওয়ান সিটিজেন প্রকল্পটি ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে কনজ্যুমার অর্থনীতি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে ডিজিটাল সম্পর্কের গুরুত্ব প্রকাশ করছে।
বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের প্রতিক্রিয়া এবং লক্ষ্য
বাজেট উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের (বিসিজি) তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের নবম বৃহত্তম কনজ্যুমার অর্থনীতি হতে পারে। এই লক্ষ্যে সরকার ডিজিটাল অর্থনীতি ও সমন্বিত ব্যবস্থার জন্য আরও বেশি প্রয়োজনীয় হারে সম্পদ ও সেবার বিনিয়োগ করেছে। এই প্রকল্পটি সরাসরি সামাজিক ও আর্থিক সমাধানের প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
ওয়ান সিটিজেন প্রকল্পটি ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে সরকারি ও বেসরকারি তথ্য আদান-প্রদান সহজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। প্রতিটি নাগরিক একটি সুনির্দিষ্ট আইডি দ্বারা ব্যবহার করে আর্থিক পেমেন্ট, ভাতা, ফি ও অন্যান্য কাজগুলো সম্পাদন করতে পারবে। এটি কনজ্যুমার অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিজিটাল পরিচয়ের জরুরি প্রয়োজন তৈরি করবে। প্রতিষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ালেট বিভিন্ন পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং এর ফলে আর্থিক লেনদেন আরও সুবিধাজনক হবে।
ওয়ান সিটিজেন প্রকল্পটি ডিজিটাল পরিচয় বিন্যাস করে দুর্বল সংযোগ এবং তথ্য যাচাই সমস্যা দূর করতে চলছে। সম্পূর্ণ ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতি ও ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সাথে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সমাধান সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। প্রতিটি নাগরিক প্রতিষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ালেট দ্বারা সম্পদ ও সেবার সংযোগ হবে যে যাচাই করা হবে।
বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও অনুমান
এই প্রকল্পটি একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার এই ধারণার বাস্তবায়নে আরও কঠোর সময়সূচি প্রবর্তন করেছে। সার্বিক পরিচয় ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সুসংহত সম্পর্কের মাধ্যমে সম্পদ ও সেবার আদান-প্রদান করতে পারবে। এই প্রকল্পের পরিচয় দেশে ডিজিটাল বিনিয়োগ ও সামাজিক পরি�