Economy

রুমিন ফারহানার প্রশ্ন / সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে কী করে বাজেট বাস্তবায়ন হবে

রুমিন ফারহানা: সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপে বাজেট বাস্তবায়নে সমস্যা র ম ন ফ রহ ন র - রুমিন ফারহানা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে ঘাটতি বাজেট কীভাবে

Desk Economy
Published June 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রুমিন ফারহানা: সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপে বাজেট বাস্তবায়নে সমস্যা

র ম ন ফ রহ ন র – রুমিন ফারহানা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে ঘাটতি বাজেট কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে অধিবেশনে তিনি র ম ন ফ রহ ন এর সম্পূরক বাজেট প্রস্তাব সম্পর্কে তাঁর বিশ্লেষণ প্রদানে বিষয়টি তুলে ধরেন। সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

অর্থনৈতিক চাপ এবং বাজেট নীতি

রুমিন ফারহানা বলেন যে দেশে ঘাটতি বাজেট করা অনুপাতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে আরও সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন যে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো দেশি ও বিদেশি ঋণ দিয়ে ঘাটতি পূরণ করে আসছে, কিন্তু সেই সাথে ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা ক্ষীণ হয়ে আসছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন যে ব্যাংকিং খাতে মূলধনের পর্যাপ্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনৈতিক ক্ষতি বৃদ্ধি করছে।

খাতভিত্তিক ঋণ বিতরণ এবং তথ্য বিশ্লেষণ

পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৩.৪৯ শতাংশ হয়েছে, যা দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নির্দেশ করছে। মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ৯.৫ শতাংশে চলছে, যা দেশের মূলধনের চাপ বৃদ্ধি করছে।

র ম ন ফ রহ ন এর মতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলনে খেলাপি ঋণের পরিমাণ মোট ঋণের ওপর পৌঁছেছে ৩৫.৭৩ শতাংশ। এ খাতে আগের তুলনায় ব্যাংকিং খাতে ঋণ বৃদ্ধি হয়েছে ৫ শতাংশ হারে। বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে এবং এখন সেটি ২২.২১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে দেশের অর্থনৈতিক চাপ কমানোর জন্য র ম ন ফ রহ ন এর প্রস্তাব গ্রহণে প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন যে বাংলাদেশ থেকে গত ১৫ বছরে পাচার হয়েছে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বছরে প্রায় ১৪-১৬ বিলিয়ন ডলার বাইরে চলে গেছে।

ব্যাংক খাত যেখানে মূলধনের পর্যাপ্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে, সেখানে পরিবারের হাতে ঋণ তুলে দেওয়া হয়েছে। র ম ন ফ রহ ন এর মতে এমনকি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দ্বারা সুদের হার এবং ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বাজেট বিষয়ে যে আলোচনা চলছে তাতে র ম ন ফ রহ ন এর সমালোচনা উঠেছে। তিনি মনে করেন যে অর্থনৈতিক চাপ কমাতে ডলারের দাম ধরে রাখা হয়েছে, কিন্তু বছরে ১৮-২০ বিলিয়ন ডলার ব্যাংকিং খাত থেকে বিদেশে চলে গেছে। এ পরিস্থিতি বাজেট বাস্তবায়নে গুরুতর প্রভাব ফেলছে।

Leave a Comment